যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আগামী শনিবার অনুষ্ঠেয় চতুর্থ সমাবর্তনে স্নাতক, স্নাতকোত্তর, এমফিল ও পিএইচডি পর্যায়ে ১ হাজার ৮৩১ গ্র্যাজুয়েট অংশ নিচ্ছেন। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অতিথি হয়ে আসবেন আরো ২ হাজার ৬১ জন। যবিপ্রবির প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলনকক্ষে গতকাল ৮৭তম (বিশেষ) রিজেন্ট বোর্ডের সভায় সমাবর্তন সম্পর্কিত কার্যক্রমের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়। এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাসংক্রান্ত সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী ফোরাম একাডেমিক কাউন্সিল থেকে বিষয়টি রিজেন্ট বোর্ডে উপস্থাপন করা হয়।
রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য মো. আব্দুল হামিদের পক্ষে সমাবর্তনে সভাপতিত্ব করবেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। সমাবর্তন বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমির সেক্রেটারি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. হাসিনা খান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেবেন যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্যসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত থাকবেন।
এবারের সমাবর্তনে বিভিন্ন শ্রেণীতে ৫৭ জন স্বর্ণপদক ও অ্যাওয়ার্ড পাবেন। এর মধ্যে প্রত্যেক অনুষদে ডিস্টিংশনসহ সর্বোচ্চ সিজিপিএপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী পাবেন আচার্যের স্বর্ণপদক। এ শ্রেণীতে এবারের সমাবর্তনে ২২ গ্র্যাজুয়েট চ্যান্সেলর স্বর্ণপদক পাচ্ছেন। প্রত্যেক অনুষদের অধীনে প্রতিটি বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ সিজিপিএপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পাবেন। এ শ্রেণীতে এবার অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন ২৬ গ্র্যাজুয়েট। প্রত্যেক বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ সিজিপিএপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী পাবেন ডিন অ্যাওয়ার্ড। এ শ্রেণীতে এবার নয় গ্র্যাজুয়েট ডিন অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন।
যবিপ্রবির জনসংযোগ কর্মকর্তরা আবদুর রশিদ জানান, সমাবর্তন অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে করতে বৃহস্পতি ও শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। ওই দুদিন সব বিভাগ ও দফতরের দাপ্তরিক কার্যক্রম যথারীতি পরিচালিত হবে। গ্র্যাজুয়েটরা সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে এ দুদিন তাদের সমাবর্তন গাউন ও উপহার সামগ্রী সংগ্রহ করতে পারবেন।
কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে হচ্ছে সমাবর্তন মঞ্চ ও প্যান্ডেল। ক্যাম্পাসের প্রধান সড়ক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব একাডেমিক ভবন, স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে সাজানো হয়েছে বাহারি ফুলের পসরা। ২০১৮ সালের পর চতুর্থ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে নবীন-প্রবীণ শিক্ষার্থীদের মিলনমেলায় মুখরিত হবে বিশ্বদ্যািলয় প্রাঙ্গণ।










