নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার ধর্মগঞ্জ এলাকায় ধলেশ্বরী নদীতে লঞ্চের ধাক্কায় ট্রলারডুবিতে নিখোঁজ ১৩ মাসের শিশু তাসফিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল সকালে ধলেশ্বরী নদীর বক্তাবলী এলাকায় তার মরদেহ ভেসে উঠলে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল উদ্ধার করে। এ নিয়ে নিখোঁজ ১০ জনেরই মরদেহ উদ্ধার করা হলো। ট্রলারডুবির ঘটনায় শিশু তাসফিয়ার পরিবারের চারজনের মৃত্যু হয়। এর আগে মা জেসমিন আক্তার, বোন তাসমিন আক্তার ও ভাই তামিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিয়ের উপপরিচালক আবদুল্লাহ আল আরেফিন জানিয়েছেন, ৫ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৮টার দিকে লঞ্চের ধাক্কায় ট্রলার ডুবে ১০ জন নিখোঁজ হন। অন্তত ৩০ যাত্রী বহনকারী ট্রলারটি এমভি ফারহান-৬ নামের লঞ্চের ধাক্কায় ডুবে যায় নদীতে। বেশির ভাগ যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও ১০ জন নিখোঁজ ছিল।
উল্লেখ্য, গত ৫ জানুয়ারি সকালে ফতুল্লার ধর্মগঞ্জ খেয়া পারাপারের সময় লঞ্চের ধাক্কায় শতাধিক যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলার ডুবে যায়। এতে ১০ যাত্রী নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দর নৌ-নিরাপত্তা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক বাবু লাল বৈদ্য বাদী হয়ে অভিযুক্ত লঞ্চ এমভি ফারহান-৬-এর মাস্টার, চালক ও সুকানিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা করেছেন।
ওইদিন বিকালে কেরানীগঞ্জ থেকে গ্রেফতার লঞ্চের মাস্টার কামরুল হাসান (৪০), ইনচার্জ
ড্রাইভার জসিম উদ্দিন ভুইয়া (৪০) ও সুকানি মো. জসিম মোল্লার (৩০) দায়িত্বে অবহেলার কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।










