মুক্তিযুদ্ধ, সংবিধানের মূলনীতি ও জাতীয় সংগীতকে কটাক্ষের নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানিয়েছেন দেশের বিশিষ্ট ৪৮ নাগরিক। গতকাল এক বিবৃতিতে তারা বলেছেন, জাতীয় সংগীত বা মহান মুক্তিযুদ্ধের অর্জনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার যেকোনো প্রচেষ্টা নিতান্তই উদ্দেশ্যমূলক। শিক্ষার্থী-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে স্বৈরশাসকের পতনের পর জনসাধারণের আবেগ ও অনুভূতির বিষয়কে কটাক্ষ করে একটি গোষ্ঠী নানামুখী অপতৎপরতায় লিপ্ত হয়েছে। এ অপতৎপরতা বন্ধ না হলে জনপ্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য আরো বৃহৎ কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
দেশের জাতীয় সংগীতকে ‘স্বাধীনতার অস্তিত্বের পরিপন্থী’ আখ্যা দিয়ে ৩ সেপ্টেম্বর এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে তা পরিবর্তনের দাবি তুলেছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির গোলাম আযমের ছেলে আব্দুল্লাহিল আমান আযমী। তার এ বক্তব্যের পর দেশে-বিদেশে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রতিক্রিয়া দেখান অনেকেই। উদীচীসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন রাস্তায় দাঁড়িয়ে জাতীয় সংগীত ও দেশাত্মবোধক গান গেয়েও আযমীর বক্তব্যের প্রতিবাদ জানায়। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল বিবৃতি দিলেন বিশিষ্ট ৪৮ নাগরিক।
বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, মানবাধিকারকর্মী সুলতানা কামাল, খুশি কবীর, অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, রাশেদা কে. চৌধুরী, সিনিয়র আইনজীবী জেডআই খান পান্না, টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান, সেন্ট্রাল উইমেন্স ইউনিভার্সিটির উপাচার্য পারভীন হাসান, সিনিয়র আইনজীবী সুব্রত চৌধুরী, ড. মো. হারন-অর-রশিদ, সিনিয়র আইনজীবী তবারক হোসেন, আলোকচিত্রী শহিদুল আলম, শামসুল হুদা, রেহনুমা আহমেদ, ড. শাহনাজ হুদা, অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস, ড. খাইরুল ইসলাম চৌধুরী, ঈশানী চক্রবর্তী, অধ্যাপক জোবায়দা নাসরিন, অধ্যাপক মাহা মির্জা, সামিনা লুৎফা, ড. সাদাফ নূর, ড. নূর মোহম্মদ তালুকদার, মাযহারুল ইসলাম বাবলা, এএসএম কামালউদ্দিন, মফিদুর রহমান লাল্টু, মিনহাজুল হক চৌধুরী, সালেহ আহমেদ, মণিন্দ্র কুমার নাথ, রেজাউল করিম চৌধুরী, ফারহা তানজীম তিতিল, তাসনীম সিরাজ মাহবুব, জাকির হোসেন, সাইদুর রহমান, ব্যারিস্টার আশরাফ আলী, ব্যারিস্টার শাহদাত আলম, আইনজীবী নাজমুল হুদা, এমএম খালেকুজ্জামান, আইনজীবী মো. আজিজুল্লাহ ইমন, প্রিন্স আল মাসুদ, উম্মে কুলসুম, শায়লা শারমীন, তাপসী রাবেয়া, আজমীর হোসেন, দীপায়ন খীসা, বাপ্পী মাশেকুর রহমান, হানা শামস আহমেদ, মুক্তাশ্রী চাকমা।










