ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে দুইপক্ষের সংঘর্ষে আহত ব্যক্তি দুই মাস পর মারা গিয়েছেন। হামলার শিকার হয়ে হাত-পা ভেঙে চিকিৎসাধীন হারুন মিয়া (৬০) গতকাল শনিবার (১০ ডিসেম্বর) রাতে হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান তিনি। 

এলাকাবাসী জানায়, দীর্ঘদিন ধরে লক্ষীমুড়া গ্রামের হারুন মিয়া ও করিম মিয়ার মধ্যে বিরোধ চলছিল। একপর্যায়ে করিমের পক্ষের লোকজন হারুন ও তার পরিবারের কয়েকজনকে পিটিয়ে আহত করে। পরে হারুন থানায় একটি মামলা করেন। এ ঘটনায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা দুই পক্ষের লোকজনকে ডেকে আপস-মীমাংসারও চেষ্টা করেন।

সালিশের পর বাড়ি ফেরার পথে করিমের লোকজন হারুনসহ তার পরিবারের আরো কয়েকজনের ওপর হামলা করেন। এ সময় হারুনের একটি পা ও একটি হাত ভেঙে ফেলাসহ তাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। একমাস হাসপাতালে থাকার পর বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন তিনি।

এদিকে দুই মাস আগে মামলা হওয়ার পর থেকেই করিম মিয়া পলাতক রয়েছেন। তাই তার মন্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। 

বিষয়টি নিয়ে বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজু আহমেদ বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। হারুনের করা মামলাটিই এখনো চলমান। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।