নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচনে মেয়র পদে জয়লাভের জন্য ‘ফ্যাক্টর’ হয়ে উঠতে পারেন নতুন ভোটার। এবারের নির্বাচনে নতুন ভোটার হয়েছেন ৪২ হাজার ৪২৬ জন। এই নতুন ভোটারদের সমর্থন পেতে আশাবাদী দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার।

নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, এবার নির্বাচনে ৫ লাখ ১৭ হাজার ৩৫৭ জন ভোটার। এদের মধ্যে ২ লাখ ৫৯ হাজার ৮৩৯ জন পুরুষ ও ২ লাখ ৫৭ হাজার ৫১৭ নারী ভোটার। ২০১৬ সালের নির্বাচনে মোট ভোটার ছিল ৪ লাখ ৭৪ হাজার ৯৩১ ভোট। এই হিসেবে এবার ভোটার বেড়েছে ৪২ হাজার ৪২৬ জন।

আগামী ১৬ জানুয়ারির নির্বাচনে আইভী ও তৈমুরসহ ৭ মেয়র প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। এদের মধ্যে আইভী ও তৈমুরের মধ্যেই মূল লড়াইটা হবে। এ দুজনের মধ্যে যিনি বেশিসংখ্যক নতুন ভোটার নিজের পক্ষে টানতে পারবেন তিনিই পাবেন নগর ভবনের চাবি।

আইভী নতুন ভোটার প্রসঙ্গে বলেন, ইয়াং জেনারেশন দেখেছে, আমি স্বচ্ছ রাজনীতি করি, মিথ্যার আশ্রয় নেইনি।  চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করি না। স্পষ্ট কথা বলি ও গতানুগতিক রাজনীতি থেকে বের হয়ে এসে আমি মানুষের কল্যাণে কাজ করি। আজকের ইয়াং জেনারেশন খুবই স্মার্ট ও ট্যালেন্ট। তারা কিন্তু এগুলো জানে, দেখে ও বোঝে। এ কারণেই মনে করি ইয়াং জেনারেশন আমার পক্ষেই থাকবে।

তৈমুর আলম খন্দকার বলেন, নারায়ণগঞ্জের তরুণ সমাজ জানে আমি কখনো অন্যায়ের সঙ্গে আপস করিনি। সত্য ন্যায় কথা অকপটে বলি। স্বচ্ছ রাজনীতি করি। কারো জমি বা বাড়ি দখল করিনি। নগরীতে আমার একটি স্বচ্চ ইমেজ আছে। তাই আমি মনে করি, তরুণ ভোটাররা আমাকেই বেছে নেবে।

৫ লাখ ১৭ হাজারের অধিক ভোটার তাদের পছন্দের  প্রার্থী বেছে নেবেন ১৬ জানুয়ারি। নির্বাচন সামনে রেখে ডাক্তার সেলিনা হায়াৎ আইভী গতকাল সিদ্ধিরগঞ্জ পুল, ধনুহাজী রোড,  আব্দুল আলী, কালুহাজী রোড পাইনাধী নতুন মহল্লা, সিআইখোলাসহ বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন।

অন্যদিকে তৈমুর আলম শিমরাইল, সাইলোগেইট, ওমরপুর, সিদ্ধিরগঞ্জ বাজার, মুন্সীপাড়া, আজিবপুর, সরদারপাড়াসহ বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় গণসংযোগ করেন।