ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা বলেছেন, ঢাকা-৯ আসনে মনোনয়ন জমা দিয়েছিলাম। সেটি গৃহীত হয়নি। তাই আমরা আপিল করছি এবং আইনি লড়াই চালিয়ে যাব।
আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন ভবনে ঢাকা অঞ্চলের বুথে আপিল আবেদন করা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
তাসনিম জারা বলেন, আপনারা দেখেছেন একদম দেড় দিনের মাথায় প্রায় ৫ হাজার মানুষ সতস্ফুর্তভাবে আমাদেরকে স্বাক্ষর দিয়েছেন, অনেক ভালোবাসা দিয়েছেন, নিজেরাই স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে বুথ করেছেন, ভলেন্টিয়ারিং করেছেন। তো এইটার প্রতি সম্মান জানিয়ে আমরা আমাদের আইনি লড়াইটা চালিয়ে যাব। এত অল্প সময়ে যারা স্বাক্ষর করেছেন, উনারা চান আমি যাতে নির্বাচনে কনটেস্ট করতে পারি। তো সেজন্য আমরা আপিল করেছি। এবং আমরা আইনি প্রক্রিয়ার লড়াইটা চালিয়ে যাব।
তাসনিম জারার আইনজীবী আরমান হোসেন বলেন, আইনগতভাবে আমরা এ আপিলে জয় পাব এবং ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে তাসনিম জারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন।
গত ৩ জানুয়ারি ঢাকা জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তা তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। সে সময় তাসনিম জারা আপিল করার কথা বলেছিলেন। আপিলের প্রক্রিয়া শুরুর কথাও তিনি জানান।
ওই সময় তিনি বলেছিলন, নির্বাচন কমিশন মনোনয়ন বাতিলের কারণ হিসাবে জানিয়েছেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ওই আসনের মোট ভোটারের ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর নিতে হয়। এই এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরের চেয়েও আমি প্রায় ২০০ স্বাক্ষর বেশি জমা দিয়েছি। সেখান থেকে নির্বাচন কমিশন ১০ জনের তথ্য যাচাই করতে গিয়েছিলেন। তার মধ্যে ৮ জনের তথ্য সঠিক পেয়েছেন, বাকি ২ জনের সত্যতা পাওয়া গেছে তবে ওই দুইজন ঢাকা-৯ এর ভোটার না। ওই দুইজন জানতেন তারা ঢাকা-৯ এর ভোটার। তাদের ঠিকানা খিলগাঁও হলেও এলাকার কিছু অংশ ঢাকার আরেকটি আসনের সঙ্গে যুক্ত।
গত ২৭ ডিসেম্বর এনসিপি থেকে পদত্যাগ করেন দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা। ওইদিন সন্ধ্যায় ফেসবুক পোস্টে তিনি জানান, কোনো নির্দিষ্ট দল বা জোটের প্রার্থী হিসাবে নয়, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে ঢাকা-৯ থেকে নির্বাচনে অংশ নেবেন তিনি।










