সিলেট নগরের উপকণ্ঠের বিআইডিসি এলাকায় ছেলেমেয়েসহ গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ওই গৃহবধূর সৎ ছেলেকে ঘটনাস্থল থেকেই আটক করা হয়েছে। সৎ মায়ের সঙ্গে দ্বন্দ্বের জেরেই সৎ ছেলে তিনজনকে কুপিয়ে হত্যা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক কিশোর আবাদ হোসেন (১৭) নিজের সৎ মা ও ভাইবোনকে হত্যার দায় স্বীকার করেছে। গত বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে শাহপরান থানাধীন বিআইডিসি এলাকার পীর মহল্লার একটি বাড়ি থেকে গৃহবধূ রুবিয়া বেগম (৩০) ও তার মেয়ের নাম মাহা বেগমের (৯) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় গুরুতর আহত অবস্থায় রুবিয়া বেগমরে ছেলে তাহসিনকে (৭) উদ্ধার করা হয়। গতকাল ভোরে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় তাহসিন।

আবাদের বরাত দিয়ে শাহপরান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আনিসুর রহমান জানান, সিলেটের বিয়ানীবাজারের বাসিন্দা আবদাল হোসেনের (৪২) শাহপরান এলাকায় মুদি দোকান রয়েছে। আবদাল হোসেন দুটি বিয়ে করেছেন। প্রথম স্ত্রী তার দুই ছেলেমেয়েসহ বিয়ানীবাজারে গ্রামের বাড়িতে থাকেন। আর দ্বিতীয় স্ত্রী ও তার দুই ছেলেমেয়েকে নিয়ে বিআইডিসি এলাকার বাসায় থাকেন আবদাল। মাস ছয়েক আগে প্রথম স্ত্রীর পক্ষের বড় ছেলে আবাদ হোসেনকে শহরের বাসায় নিয়ে আসেন আবদাল। বিয়ানীবাজার থেকে বিআইডিসির বাসায় আসার পর থেকে সৎ মায়ের সঙ্গে প্রায়ই ঝগড়া বেঁধে যেত তার। আবাদ পুলিশকে জানিয়েছে, সৎ মা তাকে নির্যাতন করতেন। এ ক্ষোভ থেকে সে ছুরি দিয়ে কুপিয়ে তাদের হত্যা করেছে।