ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে বৃহস্পতিবার এপার-ওপার হয়েছেন ১০৯৮ জন যাত্রী, যা করোনাকালীন অবস্থার পর অনেক বেশি। মূলত ভ্রমণ ভিসা দেয়ার পর এ পথে যাত্রী পারাপার বেশ বেড়েছে। ঈদকে সামনে রেখেও অনেকে ভারতে যাওয়া-আসা করছেন। অনেকে চিকিৎসার জন্য ভারতে যাচ্ছেন।
ইমিগ্রেশন সূত্র জানায়, করোনাকালীন সময়ের শেষ দিকে এক থেকে দেড়শ লোক যাতায়াত করে। ভ্রমণ ভিসা দেয়ার পর থেকে যাতায়তকারীদের সংখ্যা বাড়তে থাকে। এর আগে, গত বুধবার ৮৯৫ জন যাত্রী ভারতে যাওয়া আসা করেন।
বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে স্থলবন্দরে গিয়ে অনেক ভিড় লক্ষ্য করা যায়। কাস্টমস, বিজিবি, ইমিগ্রেশন অফিসের সামনে অনেককে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। বন্দর সংশ্লিষ্টদেরকে খুব কম সময়ের মধ্যেই ইমিগ্রেশনের কাজ সেরে ফেলার চেষ্টা করতে দেখা যায়।
চট্টগ্রাম থেকে আসা মুক্তা বিশ্বাস নামের এক নারী জানান, চিকিৎসা সংক্রান্ত কারণে ছেলেকে নিয়ে ভারতে যাচ্ছি। এ পথ দিয়ে ভারতে গেলে সেখানে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো। বিশেষ করে ট্রেন যোগাযোগ। তাছাড়া এ বন্দর দিয়ে আগরতলা গেলে বিমানেরও ব্যবস্থা আছে।
আখাউড়ার স্বপন দেবনাথ নামের আরেক যাত্রী বলেন, ‘এপারের ইমিগ্রেশনের কাজ খুবই দ্রুত শেষ করা যায়। তবে ওপারের ইমিগ্রেশনে লম্বা সময় দাঁড়িয়ে থাকার কারণে যাত্রীরা বিড়ম্বনায় পড়তে হয়।’
চট্টগ্রামের মীরাশরাইরের আজমান আক্তার নামের এক ব্যবসায়ী জানান, ব্যবসায়িক কাজে ভারতে যাচ্ছেন। তিনি এ পথের নিয়মিত যাত্রী।
আখাউড়া স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন ইনচার্জ আবু বকর সিদ্দিকী জানান, ৬ এপ্রিল এ বন্দর দিয়ে ভ্রমণ ভিসা চালু হওয়ার পর থেকেই প্রতিদিন যাত্রীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে গড়ে প্রতিদিন ৮০০ থেকে ৯০০ যাত্রী আসা-যাওয়া করছে। ঈদের ছুটিতে তা দ্বিগুণ হওয়ার সম্ভবনা আছে।










