নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে সোলাইমান (৩০) নামের এক যুবককে প্রকাশ্যে ইট দিয়ে মাথা থেঁতলে ও কুপিয়ে এ সময় মসজিদের মাইকে ডাকাত আতঙ্ক ছড়িয়ে লোক জড়ো করা হয়। গতকাল উপজেলার তারাব পৌরসভার গন্ধর্বপুর নামাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সোলাইমান উপজেলা পরিষদ চত্বর এলাকার মজিদ শিকদারের ছেলে। নিহতের পরিবারের দাবি, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে সোলাইমানের দ্বন্দ্বের জেরে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। প্রকাশ্যে এমন হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।

নিহত সোলাইমানের বন্ধু মাছিমপুর এলাকার মোহাম্মদ আলী জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মুড়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান তোফায়েল আহাম্মেদ আলমাছসহ তার সমর্থকদের সঙ্গে যুবলীগের কর্মী নিহত সোলাইমানসহ তার লোকজনের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এ বিরোধের জের ধরে প্রায় সময়ই উভয় গ্রুপের মাছিমপুর, মীরকুটিরছেও, নার্সিংগেলসহ বিভিন্ন স্থানে ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়া, হামলা, ভাংচুর ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল দুপুরে মুড়াপাড়া নার্সিংগেল এলাকায় সোলাইমান তার মাছের খামারে খাবার দিচ্ছিলেন। এ সময় কে বা কারা তাকে ডেকে পার্শ্ববর্তী গন্ধর্বপুর নামাপাড়া এলাকায় নিয়ে আসেন। সেখানে অজ্ঞাত লোকজন তাকে নামাপাড়া বালুর মাঠে কোপানো শুরু করলে গ্রামবাসী লাঠিসোটা নিয়ে এগিয়ে এসে দেখে রক্তাক্ত অবস্থায় সোলাইমান সেখানে পড়ে রয়েছে। তার আত্মীয়-স্বজনরা সেখান থেকে তাকে উদ্ধারের পর প্রথমে রূপগঞ্জের একটি হাসপাতালে, পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে জানতে মুড়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তোফায়েল আহাম্মেদ আলমাছের সেলফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কলটি রিসিভ করেননি।