সিলেটের মুরারি চাঁদ (এমসি) কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় রোববার সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি। বিচারিক আদালত পরিবর্তন চেয়ে হাইকোর্টে মামলার বাদীর করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল নির্ধারিত তারিখেও সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি।

গতকাল সকালে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মোহিতুল হকের আদালতে মামলার সব আসামিদের হাজির করা হয়। তবে বাদীপক্ষ কোনো সাক্ষী হাজির করেননি। এতে সাক্ষ্যগ্রহণ মুলতবি করেন বিচারক।

তবে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ প্রদান করা হয়নি বলে জানিয়েছেন এ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি সাঈদা খানম।

চাঞ্চল্যকর এ মামলায় মোট ৫১ জনকে সাক্ষী হিসেবে রাখা হয়েছে। গতকাল মামলার বাদীসহ পাঁচজনের সাক্ষ্য দেয়ার কথা ছিল।

গত  ২৪ ও ২৭ জানুয়ারি সাক্ষ্যগ্রহণের নির্ধারিত তারিখেও সাক্ষীরা হাজির না হওয়ায় সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি। এরই মধ্যে বিচারিক আদালত পরিবর্তন চেয়ে হাইকোর্টে মামলার বাদী আবেদন করেছেন।

গত বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে এমসি কলেজে বেড়াতে আসেন ধর্ষণের শিকার তরুণী। এ সময় ক্যাম্পাস থেকে কয়েকজন ছাত্র ওই তরুণীকে স্বামীসহ কলেজ ছাত্রাবাসে তুলে নিয়ে যায়। পরে তারা স্বামীকে বেঁধে মারধর এবং গৃহবধূকে ধর্ষণ করে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে।

ভুক্তভোগী গৃহবধূর স্বামী সেদিন (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে বাদী হয়ে শাহপরান থানায় মামলা করেন। মামলায় এজাহার নামীয় আসামি করা হয়েছে ছয়জনকে। সেই সঙ্গে অজ্ঞাতনামা আরো দু-তিনজনকে আসামি করা হয়।