বগুড়া-৭ আসনে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পক্ষে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন দলের কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু। বগুড়া-৬ আসনে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দেন জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশাসহ দলের নেতারা। এছাড়া ফেনী-১ আসনে খালেদা জিয়ার পক্ষে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন দলটির নেতাকর্মীরা। খালেদা জিয়া অসুস্থ থাকায় দুটি আসনেই বিকল্প প্রার্থী রেখেছে বিএনপি।

গতকাল দুপুরে বগুড়া জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা তৌফিকুর রহমানের কাছে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের মনোনয়নপত্র দাখিল করা হয়। এ সময় জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলী আজগর তালুকদার হেনা, সাবেক সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলামসহ দল ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

মনোনয়নপত্র দাখিলের পর জেলা বিএনপির সভাপতি বলেন, ‘খালেদা জিয়া বগুড়া-৭ ও তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী হয়েছেন। তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসনের পাশাপাশি ঢাকা-১৭ আসন থেকেও নির্বাচন করছেন। দীর্ঘ সময় পর তার নির্বাচনে সরাসরি অংশগ্রহণে নেতাকর্মীদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।’

বগুড়া জেলা বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, বগুড়া-৭ আসনে খালেদা জিয়ার পাশাপাশি উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোরশেদ আলমও সহায়ক প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বগুড়া-৬ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল এবং বগুড়া-৭ আসনে দলটির প্রার্থী গোলাম রব্বানী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

জানা যায়, বগুড়া-৬ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৪৯ হাজার। এ আসনে অতীতে বিএনপির শক্ত অবস্থান ছিল। এবার এ আসনে প্রথমবারের মতো নির্বাচন করছেন তারেক রহমান।

ফেনী-২ আসনে খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা অধ্যাপক জয়নাল আবেদিন ও ফেনী-৩ আসনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মনিরা হক বলেন, ‘ফেনী-১ আসনে ১৩ জন, ফেনী-২ আসনে ১৬ ও ফেনী-৩ আসনে ১৬ জনসহ মোট ৪৫ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।’

ফেনী-১ আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক ও ওই আসনের নির্বাচন সমন্বয়ক রফিকুল আলম মজনু। খালেদা জিয়ার অসুস্থতার কারণে ফেনী-১ আসনে খালেদা জিয়ার বিকল্প হিসেবে মজনুও মনোনয়নপত্র জমা দেন।