ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে পরিবার নিয়ে ঢাকায় যেতে ট্রেনের টিকিট কেটেছিলেন রুহুল কুদ্দুস, কিন্তু ট্রেন আসার পর তার নির্ধারিত টিকিটের বগি খুঁজে না পেয়ে তিনি গতকাল ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগ দিয়েছেন। এর সত্যতা নিশ্চিত করে অধিদপ্তরের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মেহেদী হাসান জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে দেয়া লিখিত অভিযোগে রুহুল কুদ্দুস বাংলাদেশ রেলওয়ের টিকিটসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান সহজ-সিনেসিস-ডিনসন জেডিকে অভিযুক্ত করেন। একই সঙ্গে ট্রেনে কর্তব্যরত গার্ড (পরিচালক) ও টিটিইর (ট্রাভেল টিকিট এক্সামিনার) বিরুদ্ধেও অসহযোগিতার অভিযোগ এনেছেন।

অভিযোগে রুহুল কুদ্দুস উল্লেখ করেন, ঢাকা যাওয়ার জন্য উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনের ১৮ আগস্টের তিনটি টিকিট (একটি প্রাপ্ত ও দুটি অপ্রাপ্ত বয়স্ক) কেনন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে টিকিট না পেয়ে তিনি সেগুলো কেটেছিলেন নোয়াখালী থেকে, যার বগি নম্বর ‘ছ’ ও সিট নম্বর ৩৩-৩৫। কিন্তু যাত্রার দিন অর্থাৎ ১৮ আগস্ট দুই শিশু মেয়েকে নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশনে এসে ‘ছ’ বগি খুঁজে না পেয়ে তিনি ‘চ’ বগিতে ওঠেন। ট্রেনটি আশুগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রাবিরতি দিলে তিনি কর্তব্যরত গার্ডের সহযোগিতা চান। কিন্তু পরিষ্কার জানিয়ে দেন, ট্রেনে ‘ছ’ বগি সংযুক্ত নেই, তাই এ বিষয়ে তার কিছু করার নেই। পরে টিটিইর সহযোগিতা চাইলে তিনি উল্টো পুলিশের ভয় দেখান। এ অবস্থায় তিনি ট্রেনের ‘চ’ বগির একটি টয়লেটের সামনে দাঁড়িয়ে মেয়েদেরকে নিয়ে ঢাকায় আসেন।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মেহেদী হাসান অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ বিষয়ে ঊধর্"তন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।