এতে শিশু ও দম্পতিসহ অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। মাটি চাপা পড়ে গুরুতর আহত হয়েছেন স্থানীয় এক নারী ইউপি সদস্য। গতকাল ভোরে বান্দরবানের লামা উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়ন ও বুধবার রাতে চকরিয়ার বরইতলী ইউনিয়নে এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
লামা উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মিশনপাড়ায় গতকাল ভোর সাড়ে ৩টার দিকে হঠাৎ পাহাড় ধসে পড়ে। এতে মো. ইউনুছ নামের এক ব্যক্তির একতলা পাকা বাড়ির দেয়াল ভেঙে ভেতরে মাটি ঢুকে যায়। ঘটনার সময় ঘুমন্ত অবস্থায় দেয়াল ও মাটিচাপা পড়ে পাঁচজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। নিহতরা হলেন বাড়ির মালিক মো. ইউনুছ (৩০), তার স্ত্রী রানু আক্তার (২৭), তাদের চার বছরের শিশুসন্তান মো. সুলেমান প্রকাশ তাসিন এবং ওই বাড়িতে বেড়াতে আসা দম্পতি মো. জুয়েল ও তার স্ত্রী কুলসুমা। স্থানীয় বাসিন্দারা সকালেই ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেন।
এদিকে একই ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তরপাড়ায় ভোর সাড়ে ৪টার দিকে অন্য একটি পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। এতে ধসে পড়া মাটির নিচে চাপা পড়েন স্থানীয় ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য রেহানা আক্তার (৪২)। মাটি ধসে পড়লে কেবল তার মাথাটি বাইরে বের হওয়া অবস্থায় ছিল ও বাকি শরীর মাটির নিচে চলে যায়। সকালে স্থানীয়রা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করেন। এ সময় তার নাক ও মুখ দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল। উদ্ধারের পর পরই তাকে চট্টগ্রাম ন্যাশনাল হাসপাতালে পাঠানো হয়। আজিজনগর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মোবারক হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
অন্যদিকে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের মছনিয়াকাটা এলাকায় বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে পাহাড়ধসে দুই চাচাতো ভাই-বোনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলো মোহাম্মদ কাজলের মেয়ে সুমি (১৭) ও তার ভাই আবদুল মজিদের ছেলে মোহাম্মদ তৌসিফ (১১)। চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহীন দেলোয়ার জানান, টানা ভারি বর্ষণের কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।










