বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনার মধ্য দিয়ে ছাড়া চতুর্থ ধাপে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ১৫টি ইউনিয়নে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রোববার সকাল ৮টা থেকে বিকেলে চারটা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে দুপুরে।

জানা গেছে, দুপুরের পর বিজয়নগর উপজেলার চম্পকনগর ইউনিয়নে দুই মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় আহত হয়েছেন পাঁচজন। ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের খুদেহাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

মেম্বার প্রার্থী হাবিবুর রহমান (মোরগ) ও বাছির মিয়ার  (আপেল) সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। এতে ভোটকেন্দ্রে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে প্রায় আধঘণ্টা ভোটগ্রহণ বন্ধ থাকে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলে পুণরায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়। সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ আতিকুর রহমান সবুজ ও মো. রায়হান নামে ২ জনকে আটক করে।

কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার মো. মমিন মিয়া জানান, মেম্বার সমর্থকদের সংঘর্ষে ভোটাররা আতঙ্কে কিছুক্ষণ ভোটকেন্দ্রের বাহিরে অবস্থান করছিলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসলে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন তারা।

ইউপি নির্বাচনে বিজয়নগর উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও আখাউড়ার ৫টি ইউনিয়নে মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ১৫২টি। এরমধ্যে আখাউড়ায় ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৪৭টি ও বিজয়নগরে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১০৫টি।

১৫টি ইউনিয়নের মোট ভোটর সংখ্যা ২ লাখ ৭১ হাজার ৭০২ জন। বিজয়নগরে মোট ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৮৬ হাজার ৮৬৪ জন ও আখাউড়ায় মোট ভোটার সংখ্যা ৮৪ হাজার ৮৩৮ জন। নির্বাচনে দুই উপজেলার ১৫ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৮৪ জন, সাধারণ সদস্য পদে ৫০৭ জন এবং সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ১৫৪ জন প্রার্থীতা করেন।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠানে ব্যাপক নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে র‌্যাব, ৫ প্লাটুন বিজিবি, ৯৭৭ জন পুলিশ সদস্য এবং ২৫৮৪ জন আনসার সদস্যসহ ১৫টি মোবাইল টিম ও ১৫টি স্ট্রাইকিং ফোর্স মোতায়েন করা হয়। এছাড়া জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট টিম ও উপজেলা নির্বাচন অফিসের টিম দায়িত্ব পালন করে।