আজ সোমবার সকাল থেকে কাজিপুর উপজেলার চালিতাডাঙ্গায় রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকে সামনে জড়ো হয় কয়েকশ মানুষ। অধিকাংশই বয়স্ক। তারা এসেছিলেন বয়স্ক, বিধবা অথবা প্রতিবন্ধী ভাতা তুলতে। লাইনে দাঁড়ালেও সামাজিক দূরত্বের কেউ ধার ধারেননি। গাদাগাদি করে লাইনে দাঁড়িয়েছেন সবাই। অনেককে আগে যাওয়ার জন্য ধাক্কাধাক্কি করতেও দেখা যায়। কয়েক ঘণ্টা চলে এ পরিস্থিতি। সেখানে কয়েকজন গ্রাম পুলিশকে পরিস্থিতি সামলানোর চেষ্টা করতে দেখা যায়।
ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, কাজিপুর উপজেলার চালিতাডাঙ্গা ইউনিয়নের ভানুডাঙ্গা, চরভানুডাঙ্গা ও সোহাগীপাড়ার ১৯৭ জন বয়স্ক, ৬৩ জন বিধবা ও ৬৫ জন প্রতিবন্ধীদের মাঝে আজ ভাতার টাকা বিতরণ করা হয়। আর সারা দেশে অঘোষিত লকডাউন চলার কারণে একটু নগদ টাকার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়েন তারা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ব্যাংক শাখা ব্যবস্থাপক গোলাম রব্বানী বলেন, আমি প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছি। কিন্তু উনারা গ্রাম পুলিশ পাঠিয়েছিলেন, তারা সামাল দিতে পারেনি। তারপরেও ব্যংকে আসা মানুষদের ভিড় না করে আস্তে আস্তে একজন একজন করে টাকা তোলার অনুরোধ করা হলেও কেউ কর্ণপাত করেননি।
তবে কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহিদ হাসান সিদ্দিকী বলেন, ব্যাংক ম্যানেজার আমার কাছে কোনো সহযোগিতা চাননি। সোনালী ব্যাংক শাখা কর্তৃপক্ষ চেয়েছিল সেখানে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
চালিতাডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান মুকুল বলেন, আমার কাছে ব্যাংক ম্যানেজার দুইজন গ্রাম পুলিশ চেয়েছিলেন সেখান আমি পাঁচজনকে পাঠিয়েছি।










