গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে আমরা এমন একসময় অতিক্রম করছি, যেখানে জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের দাবিতেই রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছিল। কিন্তু দেড় বছর পেরোতে না পেরোতেই দেশে উগ্র ডানপন্থার উত্থান স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। জনজীবনে স্বস্তি নেই, সংকট ক্রমেই ঘনীভূত হচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত গণতান্ত্রিক দলগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। আন্দোলনের অন্যতম শক্তি বিএনপি দীর্ঘদিনের দমন-নিপীড়নের মধ্য দিয়ে গেছে এবং দলটির ডি ফ্যাক্টো প্রধানের অনুপস্থিতিও দীর্ঘ সময় ধরে অনুভূত হয়েছে। তার সাম্প্রতিক প্রত্যাবর্তনকে দেশের সাধারণ নাগরিকদের মতো আমরাও স্বাগত জানাই।

আগামী দিনে আমাদের দেশকে গণতন্ত্র, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে এবং অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে আমাদের ন্যূনতম যতটুকু ঐক্য করা দরকার সেটি করুক। আর যার যার রাজনীতি তা করবে। কিন্তু গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সবার গণতান্ত্রিক অধিকার সংরক্ষণ করার জন্য আমরা সবাই অভিন্নভাবে কথা বলতে পারব বলে আশা করি।