কোম্পানি দুটি হলো এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ও ইসলামিক ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট পিএলসি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) এফএএস ফাইন্যান্সের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৫ টাকা ১৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৪ টাকা ৬৩ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ১৫৩ টাকা ২১ পয়সায়।

সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে এফএএস ফাইন্যান্সের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২২ টাকা ৬৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৪ টাকা ৬৩ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ৩৭ পয়সায়।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) ইসলামিক ফাইন্যান্সের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৯৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৬২ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ৪৬ পয়সায়।

সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব ইসলামিক ফাইন্যান্সের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩৯ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ১২ টাকা ২২ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২ টাকা ৩৮ পয়সায়।

২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ইসলামিক ফাইন্যান্সের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১২ টাকা ২২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৬৪ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২০ পয়সায়।

২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ইসলামিক ফাইন্যান্সের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৬৪ পয়সা।

আগের হিসাব বছরে ইপিএস ছিল ৩০ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ৪২ পয়সায়।