এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা চেয়ে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করা হবে বলে জানিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
১৫ জুলাই কোম্পানিটির অনুষ্ঠিত ১০৬তম পর্ষদ সভায় কয়েকজন উদ্যোক্তা পরিচালক পরিচালনা পর্ষদে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে এক্সপ্রেশন অব ইন্টারেস্ট (ইওআই) জমা দেয়ার বিষয়টি তুলে ধরা হয়। বিষয়টি প্রচলিত আইন ও আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী বিবেচনার জন্য হাইকোর্ট বিভাগে উপস্থাপন করা হবে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে পিপলস লিজিংয়ের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১২ টাকা ৮১ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১৪ টাকা ৯৫ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ১৫৫ টাকা ১৫ পয়সায়।
২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে পিপলস লিজিংয়ের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১৪ টাকা ৯৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১১ টাকা ১৪ পয়সা।
২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে পিপলস লিজিংয়ের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১১ টাকা ১৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১১ টাকা ৮ পয়সা।
২০০৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত পিপলস লিজিংয়ের অনুমোদিত মূলধন ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ২৮৫ কোটি ৪৪ লাখ ১০ হাজার টাকা। পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ ৪ হাজার ৬৫৪ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ২৮ কোটি ৫৪ লাখ ৪০ হাজার ৫৯৭। এর ১৮ দশমিক ১৫ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১০ দশমিক ৭৬, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক ২৫ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৭০ দশমিক ৮৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।










