গতকাল অনুষ্ঠিত সভায় সর্বশেষ সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদনের পাশাপাশি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। বিএনআইসিএল গতকাল এ-সংক্রান্ত মূল্যসংবেদনশীল তথ্য প্রকাশ করেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিএনআইসিএলের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪ টাকা ৮১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ১৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩১ টাকা ২৬ পয়সায়। ঘোষিত লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডায় বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নিতে এ বছরের ২৩ জুন দুপুর ১২টায় বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করা হয়েছে। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১৩ মে।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ১৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ৪ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৮ টাকা ৪৫ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ৫ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ২৩ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৩ টাকা ৮০ পয়সায়।
বিএনআইসিএলের সার্ভিল্যান্স রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘ট্রিপল এ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি ওয়ান’। সমাপ্ত ২০২১ থেকে ২০২৪ হিসাব বছরের বার্ষিক প্রতিবেদন, ৩০ জুন ২০২৫ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)।
২০১৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সের অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৪৪ কোটি ২৫ লাখ টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৮১ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৪ কোটি ৪২ লাখ ৫০ হাজার। এর ৬০ দশমিক ১৩ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১১ দশমিক ৬৬ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ২৮ দশমিক ২১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।









