জ্বালানি খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি এমজেএল বাংলাদেশ পিএলসির গত সপ্তাহের চার কার্যদিবসে শেয়ারদর বেড়েছে ১৬ দশমিক ৮৯ শতাংশ। আলোচ্য সপ্তাহ শেষে কোম্পানিটির সমাপনী শেয়ারদর দাঁড়িয়েছে ১০২ টাকা ৪০ পয়সায়, আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ৮৭ টাকা ৬০ পয়সা। 

চলতি ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) এমজেএল বাংলাদেশের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬ টাকা ৫৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৫ টাকা ৪৬ পয়সা। গত ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪৫ টাকা ৮৬ পয়সায়। 

সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে এমজেএল বাংলাদেশ বিনিয়োগকারীদের ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৮ টাকা ৭৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৬ টাকা ৩৬ পয়সা। গত বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪৪ টাকা ২৭ পয়সায়।

২০২১-২২ হিসাব বছরের জন্য বিনিয়োগকারীদের ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে এমজেএল বাংলাদেশ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৬ টাকা ৩৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে ছিল ৭ টাকা ৫৩ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৪০ টাকা ৫৫ পয়সায়, যা আগের বছর শেষে ছিল ৩৯ টাকা ৬৯ পয়সা। 

২০২০-২১ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৫৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে এমজেএল বিডি। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৭ টাকা ৫৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫ টাকা ৫২ পয়সা। ২০১৯-২০ হিসাব বছরে জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৪৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। ২০১৮-১৯ হিসাব বছরের জন্যও ৪৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পান শেয়ারহোল্ডাররা। এছাড়া ২০১৭-১৮ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৪৫ শতাংশ নগদের পাশাপাশি ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি।

কোম্পানিটির সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘ট্রিপল এ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-ওয়ান’। সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং প্রকাশের দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (সিআরআইএসএল)।

২০১১ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এমজেএল বাংলাদেশের অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৩১৬ কোটি ৭৫ লাখ ২০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৮৮৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ৩১ কোটি ৬৭ লাখ ৫২ হাজার ২৭। এর ৭১ দশমিক ৫২ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ২২ দশমিক ৪৪ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৬ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। গত এক বছরে কোম্পানিটির শেয়ারদর ৬৭ টাকা ৩০ পয়সা থেকে ১০৭ টাকার মধ্যে ওঠানামা করেছে।