বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলনের ডাকা ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচির জেরে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা
দিয়ে দেশ ছেড়ে যান শেখ হাসিনা। এর পরপরই ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশজুড়ে বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা, ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা
ঘটে। এমন পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা শঙ্কায় গতকাল বেলা আড়াইটার পর অফিস ত্যাগ
করেছেন চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজের কর্মকর্তারা। তবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করায় চট্টগ্রাম বন্দরের অভ্যন্তরে অবস্থিত কাস্টমস কার্যালয়গুলোয় কর্মকর্তারা অফিস করছেন।
চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, আমদানি পণ্যের শুল্কায়নের কাজ প্রায় বন্ধ রয়েছে। ফলে অনলাইনে আমদানি চালানের নথি জমা দেয়া হলেও কোনো কাজ হচ্ছে না।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নিরাপত্তা শঙ্কায় দুপুরের পর কর্মকর্তারা বেরিয়ে গেছেন। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী না থাকায় চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজেও নিরাপদ বোধ করছিলেন না অনেকে। তাই বেলা আড়াইটার পর তারা বেরিয়ে যেতে থাকেন।
চট্টগ্রাম বন্দরের তথ্যমতে, গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় বন্দর থেকে ৩২৯ একক কনটেইনার পণ্য ছাড় হয়েছে। পণ্য খালাস কমে আসায় বন্দরে কনটেইনারের স্তূপ জমেছে। এদিন সকালে চট্টগ্রাম বন্দর চত্বরে ছিল ৪৪ হাজারের বেশি কনটেইনার।
জেটিতে থাকা ১৬টি জাহাজে কাজ হচ্ছে। সাগরে ৫০টি পণ্যবাহী জাহাজ রয়েছে। গতকাল এক হাজার কনটেইনার খালাস নেয়ার জন্য কাগজপত্র জমা দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কাজী মাহমুদ ইমাম বলেন, ‘কাস্টমস কর্মকর্তারা বেরিয়ে যাওয়ার পর মূলত বেলা ৩টা থেকে পণ্য চালানের শুল্কায়ন বন্ধ রয়েছে।’
কাস্টমসের শুল্কায়ন ও শুল্ককর পরিশোধের পর চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পণ্য খালাস করতে পারেন ব্যবসায়ীরা। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে বন্দর থেকেও পণ্য খালাসের হার ছিল কম।
চট্টগ্রাম বন্দর সচিব মো. ওমর ফারুক বণিক বার্তাকে জানান, বন্দরের অভ্যন্তরের কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকলেও খালাস প্রক্রিয়া ধীর হয়ে গেছে।










