কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে পাঁচদিন বন্ধ রাখতে হয়েছিল তৈরি পোশাক শিল্প-কারখানা। একই সঙ্গে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার কারণে বিদেশী ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করা যায়নি। এতে বেশকিছু উৎপাদন ও রফতানি হারিয়েছে দেশের পোশাক শিল্প। এ অবস্থায় আন্তর্জাতিক পোশাক ক্রেতাদের কারখানাগুলোর ওপর বাড়তি চাপ তৈরি না করার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।

গতকাল বৈশ্বিক বিভিন্ন ক্রেতা প্রতিনিধিদের নিয়ে আয়োজিত এক সভায় এ আহ্বান জানান বিজিএমইএ সভাপতি এসএম মান্নান কচি। রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় এসএম মান্নান কচি বলেন, ‘অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে টানা পাঁচদিন কারখানা বন্ধ থাকায় আমরা বেশকিছু উৎপাদন এবং রফতানি হারিয়েছি, আমাদের মার্কেটিং ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার ফলে কারখানাগুলো আর্থিকভাবে এবং সাপ্লাই চেইনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘চলমান পরিস্থিতিতে ক্রেতাদের কারখানাগুলোর প্রতি সহানুভূতিশীল থাকার আহ্বান জানাই। অপ্রত্যাশিত বিলম্বের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কারখানাগুলোর ওপর যেন বাড়তি কোনো চাপ তৈরি না হয়, সে বিষয়ে সব ক্রেতাদের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ করছি।’

সভায় কারখানা ও ইন্টারনেট সংযোগ পুনরায় চালু করা প্রসঙ্গে বিজিএমইএর পক্ষ থেকে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করাসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কে ক্রেতাদের অবহিত করা হয়।