সভায় কোম্পানিটির চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন করা হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৪২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে ইউনিলিভার কনজিউমার কেয়ারের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪১ টাকা ২১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩৪ টাকা ৬২ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১১৬ টাকা ৩০ পয়সায়। ঘোষিত লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডায় বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নিতে আগামী ১৮ মে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারিত ছিল গত ৬ এপ্রিল।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ইউনিলিভার কনজিউমার কেয়ারের ইপিএস হয়েছে ৩৪ টাকা ৬২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪৯ টাকা ৮৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১২৬ টাকা ৮৩ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৩০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ইউনিলিভার কনজিউমার কেয়ারের ইপিএস হয়েছে ৪৯ টাকা ৮৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩৭ টাকা ৯০ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১২২ টাকা ২১ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরের জন্য বিনিয়োগকারীদের ৩০০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। এর মধ্যে ২৪০ শতাংশ নগদ ও ৬০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে ইউনিলিভার কনজিউমার কেয়ারের ইপিএস হয়েছে ৬০ টাকা ৬৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরের যা ছিল ৪৩ টাকা ৮০ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৩৯ টাকা ৬০ পয়সায়।
১৯৭৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইন (জিএসকে) বাংলাদেশ লিমিটেডকে ইউনিলিভার কর্তৃক অধিগ্রহণের পর ২০২০ সালের ২৬ নভেম্বর থেকে কোম্পানিটির নতুন নাম হয় ইউনিলিভার কনজিউমার কেয়ার লিমিটেড। বর্তমানে কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ২০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৯ কোটি ২৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ২২৫ কোটি ১৭ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১ কোটি ৯২ লাখ ৭৪ হাজার ৩১৮। এর ৯২ দশমিক ৮০ শতাংশই রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩ দশমিক ৫৪, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক ১১ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৩ দশমিক ৫৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।









