এর আগে ৯ এপ্রিল বিদ্যমান বাজারদরে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে এ শেয়ার কেনার ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) এসিআইয়ের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭৩ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৭ টাকা ৯৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৯০ টাকা ৭০ পয়সায়।

সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে এসিআইয়ের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৭ টাকা ৪০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৮ টাকা ২৫ পয়সা।

সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের মোট ৩৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। এর মধ্যে ২০ শতাংশ নগদ ও ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে এসিআইয়ের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১৮ টাকা ২৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬ টাকা ৪৮ পয়সা।

১৯৭৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এসিআইয়ের অনুমোদিত মূলধন ৩০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৮৭ কোটি ৮৩ লাখ ২০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৫৯১ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৮ কোটি ৭৮ লাখ ৩১ হাজার ৮৪৩। এর ৪৬ দশমিক ৯৩ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩৩ দশমিক ৮৯ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ১৯ দশমিক ১৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।