পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বীমা খাতের দুটি কোম্পানি সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরের জন্য ঘোষিত লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের কাছে পাঠিয়েছে। কোম্পানি দুটি হলো পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড ও বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি (বিএনআইসি) লিমিটেড। স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স: সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরের জন্য কোম্পানিটি ২০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ টাকা ৪৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫ টাকা ৮০ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। গত ৩১ ডিসেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪৭ টাকা ৯৮ পয়সায়।
২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ৬ টাকা ৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬ টাকা ৯৩ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)।
বিএনআইসি: সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে কোম্পানিটি ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৪ টাকা। গত বছর শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৬ টাকা ২৮ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ২৩ পয়সা। ওই বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৩ টাকা ৮০ পয়সায়।
২০২১ হিসাব বছরের জন্য বিনিয়োগকারীদের ১৮ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ২৩ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ২ টাকা ৪৯ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ৮৫ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর ২০২০ সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। ২০১৯ হিসাব বছরে কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল। আগের হিসাব বছরেও একই হারে নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা।










