ঈদের আগে সর্বশেষ কর্মদিবসে কোম্পানিটির শেয়ারের সর্বশেষ মূল্য ছিল ২২৬ টাকা ৪০ পয়সা, যা আগের দিন ছিল ২০৮ টাকা ৭০ পয়সা। এতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে কোম্পানিটি শেয়ার দরবৃদ্ধির তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৮৮ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৩ টাকা ৪৮ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৭৩ টাকা ৪ পয়সায়।

সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে হাইডেলবার্গ ম্যাটেরিয়েলস। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৫৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৮ টাকা ১৭ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৭৩ টাকা ৯২ পয়সায়।

২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে হাইডেলবার্গ ম্যাটেরিয়ালসের ইপিএস হয়েছে ৮ টাকা ১৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৮ টাকা ১৩ পয়সা।

২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে হাইডেলবার্গ ম্যাটেরিয়ালসের ইপিএস ৮ টাকা ১৩ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৪ টাকা ১৩ পয়সা।

হাইডেলবার্গ ম্যাটেরিয়েলস বাংলাদেশ পিএলসির ঋণমাণ দীর্ঘমেয়াদে ‘এএ২’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-২’। কোম্পানিটির ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)।

১৯৮৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হাইডেলবার্গ ম্যাটেরিয়ালসের অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৫৬ কোটি ৫০ লাখ ৪০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৩৫৫ কোটি ২৪ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৫ কোটি ৬৫ লাখ ৩ হাজার ৫৮০। এর ৬০ দশমিক ৬৭ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৮ দশমিক ৬১, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক শূন্য ৪ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ১০ দশমিক ৬৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।