ঈদের খুশির বড় একটা অংশ জুড়ে থাকে সালামি। জুনিয়র সহকর্মী, ভাগ্নে-ভাতিজা, ছোট ভাইবোন কিংবা প্রতিবেশী—সবাই অপেক্ষায় থাকে ঈদের সালামির জন্য। সময়ের পরিবর্তনে সেই সালামির ধরণেও এসেছে নতুনত্ব। চকচকে নতুন নোটের বদলে এখন ডিজিটাল সালামিই হয়ে উঠছে জনপ্রিয়। আর ডিজিটাল সালামির সবচেয়ে সহজ ও নিরাপদ মাধ্যম হিসেবে সামনে এসেছে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস বিকাশ।

ব্যবসায়ী রাশেদুল আলম প্রতি বছরই শখানেক আত্মীয়-পরিজনকে সালামি দেন। কেউ থাকেন কাছাকাছি, কেউ দূরে। সবার সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতেই এবার তিনি আগেভাগেই বিকাশ অ্যাপে সেন্ড মানি গ্রুপ তৈরি করেছেন। ঈদের চাঁদ দেখার পর বা ঈদের দিন সকালে তিনি সহজেই গ্রুপ সেন্ড মানি ফিচার ব্যবহার করে প্রিয়জনদের সালামি পাঠিয়ে দেবেন। তিনি বলেন, 'আগে চকচকে নতুন টাকা দিতাম। এখন বিকাশে সালামি দেই। টাকা ডিজিটাল হলেও আনন্দ একটুও কমেনি।'

বিশেষ করে ব্যস্ত কর্মজীবী মানুষদের জন্য ডিজিটাল সালামি অনেক সুবিধা এনেছে। একটি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত নাইমুল করিম বলেন, 'ঈদে আত্মীয়স্বজনের সবার সঙ্গে দেখা করা সম্ভব হয় না। কিন্তু বিকাশের মাধ্যমে সহজেই সবাইকে সালামি পাঠানো যায়।' তিনি জানান, এইবারো তিনি ঈদের দিন সকালে মজার বার্তা সহকারে বিকাশে সালামি পাঠিয়ে দেবেন।

ঈদ উপলক্ষে বিকাশ অ্যাপে বর্ণিল ডিজিটাল ঈদ কার্ড যুক্ত হয়েছে, যা সালামিকে আরো আকর্ষণীয় করে তুলছে। গ্রাহকরা শুভেচ্ছা বার্তাসহ এই কার্ডগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ারও করতে পারছেন।

অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী নওরিন ছোট ভাইবোনদের নিয়ে সালামি পাওয়ার একটি তালিকা তৈরি করেছেন। তিনি বলেন, ‘চাচা-মামা-ফুপু-খালারা দূরে থাকেন। দেখা না হলেও সালামি মিস করতে চাই না! তাই আগেভাগেই কল, মেসেজ আর বিকাশ অ্যাপের রিকোয়েস্ট মানি ফিচার দিয়ে সালামির আবদার জানাচ্ছি।'

বিকাশ অ্যাপ থেকে সেন্ড মানি আইকনে ক্লিক করে সালামি পাঠানোর নম্বর নির্বাচন করুন। টাকার অঙ্ক বসানোর পর ‘ঈদ মোবারক’ লেখা অংশে প্রেস করলে ঈদ কার্ডের তালিকা আসবে। পছন্দের কার্ডটি সিলেক্ট করে ‘ভিউ ম্যাসেজ’ অপশনে গিয়ে বার্তা লিখে ‘সেভ অ্যান্ড কন্টিনিউ’ এ ক্লিক করতে হবে। এরপর বিকাশ পিন দিলেই সালামি চলে যাবে প্রিয়জনের কাছে।

ঈদের খুশি ভাগাভাগির এ যুগে বিকাশে সালামি পাঠানো শুধু সহজ নয়। বরং নতুন প্রজন্মের জন্য ঈদ আনন্দেরই অংশ হয়ে উঠেছে।

—বিজ্ঞপ্তি