সম্পদের চলতি বাজারমূল্য নির্ধারণ ও তা আর্থিক বিবরণীতে সঠিকভাবে তুলে ধরতে এ পুনর্মূল্যায়ন করা হবে। এজন্য চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট প্রতিষ্ঠান শফিক বসাক অ্যান্ড কোম্পানিকে পুনর্মূল্যায়নকারী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে গতকাল এসব তথ্য জানা গেছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) কাশেম ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৮৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৫২ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৭ টাকা ২৮ পয়সায়।

সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে কাশেম ইন্ডাস্ট্রিজের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৯ টাকা ৬ পয়সায়।

২০২৩-২৪ হিসাব বিনিয়োগকারীদের ১ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে কাশেম ইন্ডাস্ট্রিজের ইপিএস হয়েছে ৪২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩০ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৮ টাকা ৩৩ পয়সায়।

২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে কাশেম ইন্ডাস্ট্রিজের ইপিএস হয়েছে ৩০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪৯ পয়সা।

৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৭ টাকা ৭৪ পয়সায়।

২০২১-২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে কাশেম ইন্ডাস্ট্রিজের ইপিএস হয়েছে ৪৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৩৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৭ টাকা ৬৪ পয়সায়।

কাশেম ইন্ডাস্ট্রিজের সর্বশেষ সার্ভিল্যান্স এনটিটি রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘‌এ১’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘‌এসটি-৩’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩, ২০২৪ ও ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)।

১৯৮৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কাশেম ইন্ডাস্ট্রিজের অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৭৯ কোটি ৯৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১১১ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৭ কোটি ৯৯ লাখ ৯৯ হাজার ১৯৫। এর ৩০ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২০ দশমিক ৪৫ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৪৯ দশমিক ৫৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।