জনসংখ্যার খাদ্য চাহিদা মেটাতে এবং পোল্ট্রি খাতকে আরো আধুনিক ও টেকসই করার লক্ষ্যে আগামী ১৮-২২ ফেব্রুয়ারি রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হবে ১৩তম আন্তর্জাতিক পোল্ট্রি শো ও সেমিনার।

আজ বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ওয়ার্ল্ডস পোল্ট্রি সায়েন্স এসোসিয়েশন-বাংলাদেশ শাখার (ওয়াপসা-বিবি) সভাপতি মসিউর রহমান।

তিনি বলেন, ২০৫০ সাল নাগাদ দেশের জনসংখ্যা বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ডিম, দুধ ও মাংসের চাহিদাও দ্বিগুণেরও বেশি হবে। এ চাহিদা মেটাতে স্বল্প জমি ব্যবহার করে অধিক খাদ্য উৎপাদন করতে হবে। আর এজন্য পোল্ট্রি খাতে আধুনিক জ্ঞান ও প্রযুক্তি ব্যবহার করা জরুরি।

মসিউর রহমান আরো বলেন, বাংলাদেশে পোল্ট্রি শিল্পের যাত্রা শুরু হয়েছিল ওয়াপসা-বিবি আয়োজিত আন্তর্জাতিক পোল্ট্রি শোর হাত ধরে। তিনি আশা করে বলেন, এবারের আয়োজনও দেশের পোল্ট্রি খাতকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে।

ওয়াপসা-বাংলাদেশ শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. বিপ্লব কুমার প্রামাণিক বলেন, পোল্ট্রি খাতকে টেকসই করতে হলে মার্কেট স্ট্যাবিলিটি আনতে হবে। উৎপাদন বাড়াতে হবে কিন্তু একই সঙ্গে পরিবেশ রক্ষায়ও নজর দিতে হবে।

বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিলের (বিপিআইসিসি) সভাপতি শামসুল আরেফিন খালেদ বলেন, বিগত বছরগুলোতে বাংলাদেশের পোল্ট্রি শিল্পে চরম অস্থিরতা বিরাজ করেছে। ডিম, মুরগি, বাচ্চার দাম বারবার ওঠানামা করেছে।

তিনি আরো বলেন, আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানের তথ্য মতে, বিগত ২০২১ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত পোল্ট্রি শিল্পের লক্ষণীয় অগ্রগতি হয়নি বরং মাঝে উৎপাদন কমেছিল।

গণমাধ্যমের সিনিয়র সাংবাদিকরা বলেন, পোল্ট্রি শিল্পের সংকট নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদান জরুরি ছিল। তারা বলেন, সাশ্রয়ী মূল্যের ডিম ও ব্রয়লার মুরগি নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকা জরুরি। এজন্য সরকার ও বেসরকারি উদ্যোক্তাদের একসঙ্গে বসে দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ নির্ধারণ করা প্রয়োজন।

মতবিনিময় সভাটি সঞ্চালনা করেন ১৩তম আন্তর্জাতিক পোল্ট্রি শো ও সেমিনার মিডিয়া সাব-কমিটির সদস্য সচিব ডা. বিশ্বজিৎ রায়। —বিজ্ঞপ্তি