পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির উদ্যোক্তা পরিচালক এসএম রেজাউল আলম কোম্পানিটির তিন লাখ শেয়ার বিক্রি করেছেন। গত ১৮ এপ্রিল ডিএসইর বিদ্যমান বাজারদরে এ শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
দেশের পুঁজিবাজারে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের লেনদেন শুরু হয় ২০২০ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর। কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ৬০০ কোটি টাকা। পরিশোধিত মূলধন ৩০২ কোটি ৯২ লাখ ৮০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১০ হাজার ১৬ কোটি ৩২ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ারসংখ্যা ৩০ কোটি ২৯ লাখ ২৮ হাজার ৩৪৩। এর মধ্যে ৯৮ দশমিক ৮৬ শতাংশ শেয়ারই রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক ৪৭ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক ১০ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক ৫৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারের সর্বশেষ দর বৃহস্পতিবার ছিল ৫৩৯ টাকা। গত এক বছর ধরে শেয়ারটির দর ৫৩০ থেকে ১ হাজার ৪৭ টাকা ৭০ পয়সায় ওঠানামা করেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি হিসাব বছরের তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২৫ টাকা ১৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৭৩ টাকা ৭০ পয়সা। গত ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৫৯ টাকা ৬৮ পয়সায় (পুনর্মূল্যায়িত)। আর পুনর্মূল্যায়ন ছাড়া এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৪৩ টাকা ৭৩ পয়সায়।
সর্বশেষ ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরের জন্য সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ৩০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের পর্ষদ। পাশাপাশি কোম্পানিটির উদ্যোক্তা পরিচালকদের জন্য ৯০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়ার ঘোষণা রয়েছে। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২৫ টাকা ৮৪ পয়সা। আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪০ টাকা ১৬ পয়সা।










