এ বিষয়ে বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নিতে আজ বেলা ১১টায় বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) করবে কোম্পানিটি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

পাঁচ বছর মেয়াদি ৫০ কোটি টাকার এ বন্ডের ২৫ শতাংশ অবসায়নযোগ্য এবং ৭৫ শতাংশ রূপান্তরযোগ্য। বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন গ্রহণের পাশাপাশি নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অনুমোদন নেবে কোম্পানিটি। বন্ড ইস্যুর জন্য এমটিবি ক্যাপিটাল লিমিটেডকে ইস্যু ম্যানেজার ও অ্যারেঞ্জার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) টেকনো ড্রাগসের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ১৮ পয়সা, যা আগের হিসাব বছরের একই সময়ে ছিল ১ টাকা ৪১ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (পুনর্মূল্যায়নসহ) দাঁড়িয়েছে ৩১ টাকা ৩৮ পয়সায়।

সর্বশেষ ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে টেকনো ড্রাগসের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৭৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৯৪ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩০ টাকা ৫৮ পয়সায়।

৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে টেকনো ড্রাগসের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৯৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৮ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৩ টাকা ৫০ পয়সায়।

টেকনো ড্রাগসের সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘বিবিবি’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘‌এসটি-৩’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, চলতি ২০২৫-২০২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)।

২০২৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত টেকনো ড্রাগসের অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৩১ কোটি ৯৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ২৭১ কোটি ৬০ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৩ কোটি ১৯ লাখ ৯৮ হাজার ১৮৮। এর ৬২ দশমিক ৭১ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৯ দশমিক ৪৫ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ২৭ দশমিক ৮৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।