তবে এ দরবৃদ্ধির পেছনে কোনো ধরনের অপ্রকাশিত মূল্যসংবেদনশীল তথ্য নেই বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি। চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, সিএসইতে গত ১২ জুন কোম্পানিটির শেয়ারদর ছিল ১৭ টাকা ৭০ পয়সা। সর্বশেষ গতকাল কোম্পানিটির শেয়ারদর দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ২০ পয়সায়। এ সময়ের ব্যবধানে কোম্পানিটির দর বেড়েছে প্রায় ২০ শতাংশ।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৪-২৫ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৯৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ২৯ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২০ টাকা ৬৬ পয়সায়।

২০২৩-২৪ হিসাব বছরে কোম্পানিটির পর্ষদ বিনিয়োগকারীদের জন্য ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে ইপিএস ছিল ৭০ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ৭৩ পয়সায়।

২০২২-২৩ হিসাব বছর শেষে কোম্পানিটির পর্ষদ বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৭০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৬৮ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৮৫ পয়সায়।

২০২১-২২ হিসাব বছরের জন্য মোট ১২ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল আমরা টেকনোলজিসের পর্ষদ। এর মধ্যে ৬ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ও ৬ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ছিল। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৭৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৩৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৪ টাকা ৯ পয়সায়।

২০১২ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আমরা টেকনোলজিসের অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি, পরিশোধিত মূলধন ৬৪ কোটি ৭০ লাখ ৭ হাজার ও রিজার্ভে রয়েছে ২৫ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ৬ কোটি ৪৭ লাখ ৭ হাজার ৪৪২। এর মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে ৩০ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ৩৩ দশমিক ৬৮ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৩৬ দশমিক ৩১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।