এ উপলক্ষে গতকাল প্রতিষ্ঠানটির করপোরেট অফিসে ‘ওয়ালটন মেগা লঞ্চ’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন ফ্রিজের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর বিদ্যা সিনহা মীম, চিফ বিজনেস অফিসার (সিবিও) মো. তাহসিনুল হক, রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন সেন্টারের প্রধান আজমল ফেরদৌস বাপ্পী এবং ওয়ালটনের চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ, ভারতে ওয়ালটনের ব্যবসায়িক অংশীদার সঞ্জয় সাহাসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এছাড়া ভার্চুয়ালি এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়িক অংশীদাররা অনুষ্ঠানে যুক্ত ছিলেন।
ওয়ালটনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন এ লাইনআপে রয়েছে প্রিমিয়াম মডেলের সাইড বাই সাইড স্মার্ট ফ্রিজ, ওয়াটার ডিসপেনসারযুক্ত মডেল, নন-ফ্রস্ট ফ্রিজ, টপ মাউন্ট রেফ্রিজারেটর, সোলার-পাওয়ার্ড চেস্ট ফ্রিজার, ভার্টিক্যাল ফ্রিজার, মিনিবার ফ্রিজ, বেভারেজ কুলার এবং আইসক্রিম ফ্রিজার।
অনুষ্ঠানে ওয়ালটন ফ্রিজের সিবিও মো. তাহসিনুল হক বলেন, ‘স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি ওয়ালটন এরই মধ্যে বিশ্বের ৫৫টির বেশি দেশে পণ্য রফতানির মাধ্যমে ব্র্যান্ড বিজনেস সম্প্রসারণে সক্ষম হয়েছে। আমাদের স্বপ্ন শতাধিক দেশে ব্র্যান্ড সম্প্রসারণের মাধ্যমে ওয়ালটনকে বিশ্বের অন্যতম সেরা গ্লোবাল ইলেকট্রনিক ব্র্যান্ডে প্রতিষ্ঠিত করা। এ স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যেই আন্তর্জাতিক বাজারে একসঙ্গে নতুন মডেলের ১৫টি ফ্রিজ উন্মোচন করা হলো।’ এর মধ্য দিয়ে স্মার্ট ও গ্লোবাল ফ্রিজিং সলিউশনে ওয়ালটন এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে নতুন মডেলের ফ্রিজের উদ্ভাবনী প্রযুক্তি, ফিচারসহ বিশেষ দিক তুলে ধরেন ওয়ালটন ফ্রিজের আরঅ্যান্ডআই সেন্টারের প্রধান আজমল ফেরদৌস বাপ্পী। তিনি জানান, নতুন লাইনআপের প্রধান আকর্ষণ সাইড বাই সাইড ৬২৯ লিটারের ৩২ ইঞ্চি ম্যাজিক মিরর মাল্টিমিডিয়া ডিসপ্লে সমৃদ্ধ স্মার্ট ফ্রিজ। এর মাল্টিমিডিয়া হাব থেকে ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ইউটিউব ব্যবহার, অনলাইন শপিং এবং স্মার্ট ফিচার ব্যবহার করা যাবে। ফ্রিজটিতে রয়েছে ম্যাজিক মিরর টেকনোলজি, এআই ডক্টর, টার্বো কুলিং এবং এইট ইন ওয়ান কনভার্টিবল মোড। এছাড়া এ ফ্রিজ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী এমএসও প্লাস ইনভার্টার প্রযুক্তি ও পৃথক কুলিং কন্ট্রোলের মাধ্যমে খাবারকে দীর্ঘ সময় সতেজ রাখতে সক্ষম।
এছাড়া নতুন লাইনআপে রয়েছে ৬১৯ লিটারের নতুন ডিজাইনের আরো দুটি সাইড বাই সাইড ফ্রিজ। এ মডেলে ওয়াটার ডিসপেনসার সুবিধাসহ অ্যাকুয়া ফাউন্টেন, ডুয়াল কন্ট্রোল সিস্টেম, সুপার ফ্রিজিং, হলিডে মোড এবং এমএসও প্লাস ইনভার্টার প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়েছে।
এনার্জি সাশ্রয়ী ও টেকসই প্রযুক্তিকে গুরুত্ব দিয়ে ওয়ালটন উন্মোচন করেছে সোলার-পাওয়ার্ড চেস্ট ফ্রিজার। চার বাস্কেটযুক্ত ২৫৫ লিটার চেস্ট ফ্রিজারটিতে রয়েছে ১৬০ ঘণ্টা পর্যন্ত কুলিং রিটেনশন, বড় স্টোরেজ ক্যাপাসিটি, ইনসাইড ক্যাবিনেট লাইট, ফুড-গ্রেড অ্যালুমিনিয়াম ক্যাবিনেট এবং ফোরডি কুলিং সিস্টেম।
মেগা লঞ্চ লাইনআপের নন-ফ্রস্ট সেগমেন্টে ৫১৫ লিটারের নতুন মডেলের রেফ্রিজারেটরটিতে রয়েছে এমএসও প্লাস ইনভার্টার টেকনোলজি, ডেডিকেটেড চিলার রুম, সুপার ফ্রিজিং, ইকো মোড, রিয়েল-টাইম টেম্পারেচার স্মার্ট কন্ট্রোল সিস্টেম।
নতুন লাইনআপে টপ মাউন্ট ক্যাটাগরিতেও নতুন ডিজাইন, ৫-স্টার এনার্জি রেটিং, অ্যারো সিঙ্ক টেকনোলজি, ডিইসিএস কুলিং এবং ইন্টেলিজেন্ট ইনভার্টারসহ একাধিক মডেল আনা হয়েছে।
ওয়ালটনের নতুন লাইনআপে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারের জন্য ৫০ ও ৯৩ লিটারের মিনিবার ফ্রিজ যুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া রয়েছে ১৬৫ লিটারের সিঙ্গেল ডোর রেফ্রিজারেটর, যা নেপাল ও ভারতের বাজারের চাহিদা বিবেচনায় ডিজাইন ও তৈরি করা হয়েছে। এসব মডেলে রয়েছে টেম্পারড গ্লাস ডোর, সেমি-অটোমেটিক ডিফ্রস্ট এবং বড় সাইজের ভেজিটেবল বক্স।
কমার্শিয়াল সেগমেন্টের জন্য উন্মোচন করা হয়েছে ৭২০ লিটারের ডাবল ডোর বেভারেজ কুলার, ১০০ লিটারের সিঙ্গেল ডোর বেভারেজ কুলার এবং কার্ভড ও স্লাইডিং ডোরযুক্ত আইসক্রিম ফ্রিজার। এগুলো রিটেইল শপ, রেস্টুরেন্ট, হোটেল, ক্যাফে ও ফুড সার্ভিস খাতের জন্য উপযোগী।










