বাংলাদেশ এগ্রো প্রসেসরস অ্যাসোসিয়েশন (বাপা) ও রেইনবো এক্সিবিশন অ্যান্ড ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসেস (রিমস) এর উদ্যোগে আগামী মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হচ্ছে ১০ম বাপা ফুডপ্রো ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো। রাজধানীর আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র বসুন্ধরায় অনুষ্ঠিত এই মেলা চলবে আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
রাজধানীর পল্টনে ইকোনোমিক রিপোর্টার্স ফোরামের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মেলা কমিটির পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
মেলা উদ্বোধন করবেন বাণিজ্য বিষয়ক উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তেনিও আলেসান্দ্রো, নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স আন্দ্রে কার্স্টেনস এবং চীনা দূতাবাসের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কাউন্সেলর সঙ ইয়াং।
প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত মেলা চলবে। এতে ২২টি দেশের ২০০ এর বেশি প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্য ও সেবা প্রদর্শন করবে। এ মেলার সঙ্গে ১২তম এগ্রো বাংলাদেশ এক্সপো ও ফুড ইনগ্রেডিয়েন্ট এক্সপো নামে আরো দুটি মেলা অনুষ্ঠিত হবে। মেলা সবার জন্য উন্মুক্ত।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী আহসান খান চৌধুরী। তিনি বলেন, বাংলাদেশের কৃষি প্রক্রিয়াজাত খাত খুব ভালো করছে। এটি দেশে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি রফতানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে। এই আয়োজনের মাধ্যমে আমাদের সক্ষমতা বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরা হবে।
বাপার সভাপতি মো. আবুল হাশেম বলেন, বাপা জন্মলগ্ন থেকেই খাদ্য প্রক্রিয়াজাত খাতের উন্নয়নে কাজ করছে। এ খাতকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এগিয়ে নিতে প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি।
তিনি আরো জানান, বাংলাদেশের ৪৭৯টি সদস্য প্রতিষ্ঠান বিশ্বের ১৪৫টির বেশি দেশে প্রক্রিয়াজাত খাদ্য রফতানি করছে। বর্তমানে কৃষিখাত দেশের জিডিপির ২২% অবদান রাখছে, যার মধ্যে প্রক্রিয়াজাত খাদ্যের অবদান ২%। ২০২৭ সালের মধ্যে রফতানির পরিমাণ ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে।
বাপার সাধারণ সম্পাদক মো. ইকতাদুল হক, কোষাধ্যক্ষ মিনহাজ আহমেদ ও বাপার অন্যান্য সদস্যরাও সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
রেইনবো এক্সিবিশন অ্যান্ড ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসেস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক চানমোহন সাহা বলেন, আগের ৯টি আয়োজনের সাফল্যের কারণে এবারো আমরা ব্যাপক সাড়া পাব বলে আশা করছি।
বাপার পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই মেলা দেশীয় বাজার সম্প্রসারণ ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের খাদ্য প্রক্রিয়াজাত খাতকে তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।










