দেশের সুতা আমদানিতে ভারতের সুতা বন্ধ করতে স্থলবন্দর বন্ধের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সদস্যরা। তাদের দাবি স্থলবন্দর দিয়ে অবাধে ভারতীয় সুতা ঢুকছে। স্থলবন্দর বন্ধ করে সমুদ্র বন্দর চালু রাখলে বেআইনিভাবে সুতার প্রবেশ বন্ধ করা সম্ভব হবে।

সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর গুলশান ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান টেক্সটাইল মিলস মালিকরা।

তারা বলেন, ‘দেশের বৃহৎ শিল্প টেক্সটাইল। এ শিল্প বন্ধ হয়ে গেলে দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন সম্ভব না। এখন দেশ একটি আমদানিনির্ভর দেশে পরিণত হচ্ছে। সুতা কেনার ক্ষেত্রে এখনো স্থলবন্দর ব্যবহৃত হচ্ছে। আমরা এমন আমদানি চাই না। আমরা সরকারকে বলব সমুদ্র বন্দর দিয়ে সুতা আমদানি হোক। আমরা সেখান থেকে কিনব।’

বক্তারা আরো বলেন, ‘সরকার গ্যাসের দাম বাড়িয়ে ঘনমিটারে ৩০ টাকা করেছে আগেই। এখন সেটি আবারো বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। অথচ আমাদের মাটির নিচে পর্যাপ্ত গ্যাস আছে। সেটি উত্তোলন না করে এলএনজি নির্ভর করা ফেলা হচ্ছে। এলএনজি নির্ভর দেশ গঠন করে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। দেশের গ্যাস উত্তোলন বৃদ্ধি করা গেলে গ্যাসের মূল্যে ৩০-৩২ টাকা থেকে ২০ টাকার নিচে নামিয়ে আনা সম্ভব। সরকারকে এলএনজি নির্ভর মনোভাব থেকে বেরিয়ে নিজস্ব উৎপাদনের দিকে মনোযোগী হতে হবে।’

বক্তারা সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘গ্যাস উত্তোলনের দিকে মনোযোগ দেন। বিগত সরকার যে অযাচিত সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সেগুলা বন্ধ করুন। এখনই যদি উদ্যোগ না নেন তাহলে আমাদের কারখানা বন্ধ হয়ে যাবে।’

বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি শওকত আজিজ রাসেলের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সংগঠনটির সহ-সভাপতি আবুল কামাল আজাদ, মো. সালেহুদ জামান খান, পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার রাজিব হায়দার। এ সময় টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি মো. শামীম ইসলামসহ বিভিন্ন কারখানার মালিকরা উপস্থিত ছিলেন।