বাংলাদেশ ছাত্রকল্যাণ ট্রাস্টের ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে 'ভবিষ্যত বাংলাদেশ বিনির্মাণে ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থানের ভূমিকা' শীর্ষক জাতীয় সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) ঢাকার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী প্রফেসর ড. এম আমিনুল ইসলাম। তিনি অনুষ্ঠানে নতুন বছরের জন্য ‘ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থান-২০২৪’ ক্যালেন্ডার উদ্বোধন করেন।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ছাত্রকল্যাণ ট্রাস্টের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) প্রফেসর ড. মো. আজিজুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) প্রফেসর ড. মো. সায়েদুর রহমান।

ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক অধ্যক্ষ নুরে আলম তালুকদারের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য দেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী, শিক্ষক নেতা অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. আছাদুজ্জামান, গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব ফারুক হাসান, যুগ্ম আহ্বায়ক তারেক রহমান এবং ধ্বনি প্রকাশনের স্বত্বাধিকারী অধ্যক্ষ মাহাবুবুর রহমান।

সেমিনারে বক্তারা ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে আহত ও নিহত ছাত্রদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা এবং তাদের মুক্তিযোদ্ধাদের মতো আজীবন ভাতার আওতায় আনার জন্য পৃথক ছাত্রকল্যাণ মন্ত্রণালয় বা অধিদপ্তর গঠনের দাবি জানান।

প্রফেসর ড. এম আমিনুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের তরুণ সমাজের মেধা দেশের উন্নয়নে কাজে লাগাতে হবে। দেশের শিক্ষকদের দুঃখ-দুর্দশা লাঘবে সরকার কাজ করছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি ডিগ্রির জন্য আর্থিক সহযোগিতা এবং গবেষণার সুযোগ বৃদ্ধি করা হচ্ছে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লব ও এআই রেভল্যুশন মোকাবেলায় দেশের শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নে কোর্স ও কর্মশালা আয়োজন করা হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, বাংলা শিক্ষার পাশাপাশি ইংরেজি ও কম্পিউটার দক্ষতা অর্জনে গুরুত্ব দেয়া উচিত। তরুণরা এসব বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করলে দেশ-বিদেশে সম্ভাবনাময় কর্মক্ষেত্র তৈরি হবে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা শিক্ষাব্যবস্থায় কারিগরি প্রশিক্ষণ ও আত্মনির্ভরশীল মানবসম্পদ তৈরিতে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগের প্রশংসা করেন। —বিজ্ঞপ্তি