পুঁজিবাজারে ব্যাংক খাতে তালিকাভুক্ত এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসির উদ্যোক্তা মোস্তাফিজুর প্রিন্স রহমান ব্যাংকটির সাত লাখ শেয়ার ক্রয়ের ঘোষণা দিয়েছে। ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পাবলিক বা ব্লক মার্কেটে বিদ্যমান বাজারদরে এ শেয়ার কিনবেন তিনি। ডিএসই সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।

২০২১ সালে তালিকাভুক্ত এনআরবিসি ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৮২৮ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৬২৮ কোটি ৩ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৮২ কোটি ৮৬ লাখ ৪৯ হাজার ৫৩৪। এর মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে ৬৬ দশমিক ৯৪ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩ দশমিক শূন্য ৩ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ৩০ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

চলতি ২০২৪ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) ব্যাংকটির সমন্বিত মুনাফা কমেছে ৫৫ শতাংশ। আলোচ্য প্রান্তিকে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪৪ পয়সা, গত বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ৯৮ পয়সা। গত ৩১ মার্চ শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ১৮ টাকা ৩ পয়সা।

৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ সমাপ্ত হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে ব্যাংকটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৪০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৩৩ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। গত ৩১ ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৫৮ পয়সায়। 

২০২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য সাড়ে ৪ শতাংশ স্টক ও সাড়ে ৭ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে ব্যাংকটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৪৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৮৫ পয়সা। ওই বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৬ টাকা ৭৩ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ১৫ টাকা ১২ পয়সা।

২০২১ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের সাড়ে ৭ শতাংশ স্টক লভ্যাংশের পাশাপাশি সাড়ে ৭ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে এনআরবিসি ব্যাংক। ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১২ দশমিক ৫০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটি। এর মধ্যে ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক  লভ্যাংশ। 

সর্বশেষ রেটিং অনুসারে, ব্যাংকটির ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘‌এ প্লাস’ ও সল্পমেয়াদে ‘‌এসটি-টু’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও রেটিং প্রকাশের দিন পর্যন্ত ব্যাংকের অন্যান্য গুণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)।