মন খুলে কথা বলা ও লেখার অধিকার মানুষ পেয়েছে, সেজন্য শুকরিয়া; এরপর "আমার ভোট আমি দেব, যাকে খুশি তাকে দেব" এ ইচ্ছা প্রয়োগ করার জন্য। আসন্ন শীত মৌসুমে সাধারণ নির্বাচনের ব্যবস্থা করে, জনগণের ম্যান্ডেটপ্রাপ্ত ৩০০ সংসদ সদস্যকে ন্যামপল্লীতে ঘুমিয়ে ও সংসদে বসিয়ে, ৩০ দিন উদয়াস্ত তক্কাতক্কির ব্যবস্থা করে, সংসদ-টিভিতে সেগুলো প্রচার করে, যেসব সংস্কারকে আশু প্রয়োজনীয় মনে করছেন সেগুলো বিল আকারে পেশ ও পাস করিয়ে আইন জারি করে সরকার গঠনের আহ্বান করুন। প্রয়োজনে আবার যে ক্ষমতা নিতে বাধ্য হতে পারেন, সেটাও জনগণ, সংসদ সদস্য, মিলিটারি, পুলিশ, দেশী-বিদেশী সব্বাইকে বলে রাখুন।
নিজেরা যদি দল গড়তে চান, নির্বাচন করতে চান, তবে প্রয়োজনীয় কাজ করে নিয়ে, আপনারাও জনগণের ম্যান্ডেট প্রার্থনা করুন (জেন-ওয়াই ও জেন-জি মিলিয়ে ভোটার সংখ্যা অনেক)। সাবধান, ডিজিএফআই ইত্যাদি দিয়ে গুজু-গুজু ফুসু-ফুসু করতে গেলেই ফেঁসে যাবেন। কারণ ‘কোমলমতি’ হয়ে পাখোয়াজদের বাখোয়াজি ধরতেই পারবেন না, যদিও তাদের নিয়েই সংসার করতেও হবে। এ পাখোয়াজরা ত্রিদলীয়-চৌদলীয় আঞ্জাম করে, অয়ারাম-গয়ারাম খেলে, গণতন্ত্রের নামে ও জনগণের ঘামে ‘এক-দফা এক-দাবি’ মার্কা কোরাস গেয়ে গ্যাঞ্জাম পাকানোয় স্বশিক্ষিত ও সিদ্ধহস্ত।
নির্বাচনের জন্য একদিকে কমিশন পুনর্গঠন করুন, অন্যদিকে সব রাজনৈতিক দলকে তুরাগ নদীর পাড়ে তাদের জাতীয় সম্মেলন (তাবলিগি ব্যবস্থাপনার আলোকে) করার জন্য তারিখ নির্দিষ্ট করে দিন এবং দলগুলোর সম্মেলন, সংসদ-টিভি মারফত সারা দেশে প্রচারে রাখুন। দেশের মানুষ ও বিদেশীরা দলগুলোর আলাপ-আলোচনা, ম্যানিফেস্টো ইত্যাদি অবগত থাকুন।
আচ্ছা, সর্বশেষ যাকে ধাইয়ে দিলাম তার পুঞ্জীভূত দোষের মধ্যে একটা হচ্ছে, তিনি দেশের মানুষকে ভোটাধিকার বঞ্চিত করেছিলেন। ভিন্নভাবে সে বঞ্চনাবোধ তার নিজের দলের কর্মীদের মধ্যেও রয়েছে, কারণ তাদের দলীয় কর্মীরাও ভোটাধিকার প্রয়োগ করে দলীয় নেতা নির্বাচন করতে পারেননি। গণতন্ত্রের চর্চা যেখান থেকে শুরু হওয়ার কথা সেখানেই তা শেষ হচ্ছিল এবং এ চিত্র বড় দুই দলেও একই রকম! ওয়ার্ড থেকে ইউনিয়ন হয়ে, উপজেলা বেয়ে, জেলা ঘুরে, বিভাগ ফুঁড়ে, জাতীয় পর্যায়ে নেতা নির্বাচনে, গণতন্ত্র কখনো অনুসৃত হয়নি, তাই গণতন্ত্রের উদ্ভব, বিকাশ ও চর্চাও হয়নি। তেমন ব্যবস্থা ও অবস্থায়, স্বৈরিণী শুধু নেতা হন না, কর্মীরা হন, চামচারা হন, রামা-শামা-যদু-মধু সব্বাই হন এবং সব্বাই ধুয়া ধরেন ‘উপরের নির্দেশ’ অথবা ‘শীর্ষ পর্যায়’। এই ‘উপর/শীর্ষ’ জায়গাটা বুঝতে, খুঁজতে ও যুঝতে মানুষের নিচের কাপড় খুলে খুলে ‘পথে পথে দিলাম ছড়াইয়া রে’। এবার অন্য একটা বিষয় ভেবে দেখুন, দুই ভদ্র মহিলার কেউই রাজনীতিতে আসার জন্য উঁচিয়ে ছিলেন না। একজনকে ‘বাবার-দল-বাঁচানো’র ও অন্যজনকে ‘স্বামীর-দল-বাঁচানো’র দোহাই দিয়ে ইজ্জত-বেইজ্জতির লোফালুফির মধ্যে এনে, যদ্দিন প্রয়োজন তদ্দিন তাদের ব্যবহার করে, একসময় ‘উদ্দীন’রা বলা শুরু করে ‘মাইনাস টু’!
আমাদের সমাজে অসংখ্য অনাচার চালু আছে। এমপি সাহেবসহ অন্যদের শুল্কমুক্ত ও অন্যান্য সুবিধাদি বন্ধ করুন। জ্যৈষ্ঠ মাসেও নেংটী ইঁদুরদের স্যুট পরে ঘুরে বেড়ানো, ভারী ভারী গাড়িতে বুম্ বুম্ শীত ছড়ানো, সোনা-মোড়া জিলাপি দেখে সংযম হারানো, কামে-অকামে অষ্টপ্রহর মাইক বাজানো, জায়গায়-বেজায়গায় রিসোর্ট মাকানো, পিএইচডি-রূপী রামদা ঘোরানো এবং দেশীদেরকে মূর্খ জ্ঞান করে হতাশ হয়ে ‘হারামজাদা জনগণ, রইল তোদের আন্দোলন, চললাম আমরা সুন্দরবন’ ও অন্যান্য কদাচার নিজেরা পরিহার করুন, কটাক্ষ করুন এবং ক্রমশ সংস্কৃত হোন। সংস্কার যারা করে তারাই সংস্কৃত তথা cultured, আপনারা তো সংস্কারেরই প্রত্যাশী।
আপাতত ইন্টারনেটের কলচার্জ কমিয়ে, ইন্টারনেট ব্যবসার মৌরসি-পাট্টা (Oligopoly) ভেঙে, ক্রমান্বয়ে সারা দেশে ইন্টারনেট ফ্রি করে দিয়ে এ দেশের মানুষকে নিজেদের মধ্যে যুক্তি, অযুক্তি, কুযুক্তি চালাচালির সুযোগ বাড়িয়ে মন হাল্কা (Ventillation) করার ফুরসৎ দিন। স্মরণে রাখবেন, অন্য এক বাঙালি নোবেল বিজয়ীর দৃষ্টিতে আমরা হচ্ছি ‘আরগুমেনটেটিভ ইন্ডিয়ান’ অর্থাৎ কোঁদলপ্রিয় ভারতী। তার মধ্যে আমরা অর্থাৎ নিম্ন গাঙ্গেয় ভারতীরা শুধু মৌখিক কোঁদলেই তৃপ্ত নই, বছরে অন্তত একবার ট্যাঁটা-ট্যাঁটি বিঁধোনোয় বেদম আগ্রহী (ও রে বি.বাড়িয়া, আমায় দে রে, দে ছাড়িয়া..)! সম্বৎসরব্যাপী বিভিন্ন ধরনের ও কারণের নির্বাচনী জঙ্গ এবং পাঁচ বছরে একবার জাতীয় নির্বাচন, ট্যাঁটিয়াদের ‘খেলা হবে’ বোধ চাঙ্গিয়ে, বিজয়ীদের দেয় আত্মগর্ব এবং বিজিতদের দেয় আত্মগ্লানি। এমনিতেও দেখবেন, ডিসেম্বর এলেই গর্বে বুক ফেটে যায় আবার রমজান মাসে গ্লানিতে চোখ ভিজে যায়। চক্রাকারে এ গর্ব ও গ্লানি হচ্ছে নিম্ন গাঙ্গেয় জীবনের রুহ-আফজা তথা লাল-পানি, যেটা নিয়মিত বিরতিতে পান করার সুবাদে ‘আজকে আমার বুকের মাঝে, ধাঁই ধপাধপ তবলা বাজে’ এবং ওই তবলার চাঁটি ও ঢাকের-বাদ্যর কারণেই আমাদের জিডিপি ‘গাঙের ঢেউয়ের মতো বেড়ে চলে, যেগুলো দেখে বিদেশীরা মাথা খুবলিয়ে লেখে: দ্য বাংলাদেশ প্যারাডক্স!
এরই মধ্যে আরেকটা কাজ করতে পারেন। আমরা সব্বাই বুঝি যে আমাদের দেশ থেকে হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে। কোন কোন দেশে সেগুলো রয়েছে তাও মোটামুটি জানি। মধ্যপ্রাচ্য ও সিংগা-মিংগা দেশগুলোতে পাচার হয়ে যা জমা হয়েছে, সেগুলো ত্বরিত উদ্ধারের জন্য ইউরোপ-আমেরিকার Halitonton ধরনের কোম্পানিগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করে ‘১০-টাকা-উদ্ধারে-০২-টাকা-কমিশন’ ভিত্তিতে চুক্তি করে দুই মাসের মধ্যে টাকাগুলো এনে প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক ও আনসারদের এককালীন প্রণোদনা দিয়ে দিন।
সুখ বাড়ানোর লোভ দেখাতে যাবেন না, বরং দুঃখ কমানোর চেষ্টা করুন। আমাদের দুঃখের অন্যতম কারণ অন্যের সুখ দর্শন। কেউ সুখে আছে সেটা ভেবে ও দেখে আমরা দুঃখ পাই আবার সেই সুখ যদি চুরি, ছ্যাঁচড়ামি উদ্ভূত হয় তখন ‘ধর শালা-রে, মার শালা-রে’ বলে ঝাঁপিয়ে পড়ে তার সব সম্পদ ছিনিয়ে নেয়ার ধান্দা করি। টিভি, সংবাদপত্র ইত্যাদি মাধ্যমগুলো বে-এন্তেহা কাঁচা-কথা, অর্ধসত্য, অসত্য, মিথ্যা, আজব, গুজব ইত্যাদি ছড়িয়ে তারপর বেমালুম চেপে যায়, এই যেমন আজিজ-মতিউর-ছাগল-বেনজীর-পিএসসি ইত্যাদি ছড়িয়ে শিহরণ তুলে এখন নেতিয়ে আছে, চেতিয়ে ওঠার অপেক্ষায়।
এই বাড়ন্ত বয়সে, নোবেল বিজয়ীর জন্য উপযুক্ত কাজ হচ্ছে, প্রেসিডেন্ট হয়ে বঙ্গভবনে বসে কচি-কচি ডাবের-সুপেয় পানি খেয়ে আত্মজীবনী লিখা এবং সেটা ইংরেজিতে অনুবাদ করে সারা বিশ্বে বাজারজাত করা। প্রেসিডেন্টের চাকুরী পছন্দ না হলে, উনার কল্পিত 'তিন-শূন্য' পৃথিবীর প্রথম দুই শূন্য দুনিয়ার অন্যদের জন্য করনীয় রেখে, তৃতীয় শূন্য অর্থাৎ 'বেকারত্ব' নিয়ে বাকী জীবন বাংলাদেশের বেকারদের পেছনে কাটিয়ে দেয়া। সেজন্য, উনাকে এসএমই ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান পদিয়ে 'আমরা-চাকুরী-করি-না-বরং-চাকুরী-দেই' ধরনের ক্ষুদ্র ও মধ্যম উদ্যোক্তা তৈরি করে, দ্বিতীয় নোবেল-প্রাইজের জন্য উনাকে প্রেষিত রাখা। কোমলমতি বেকারদের 'সোশ্যাল-বিজনেস' এর কাজে সঙ্গবদ্ধ রেখে, একদিকে, উদ্যোক্তা হবার পথ দেখানো হবে এবং অন্যদিকে, বিপ্লবের-পাহারাদার হিসেবে মজুত রাখাও হবে।
সাধারণভাবে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা এবং বিশেষভাবে আমাদের উচ্চ শিক্ষা প্রকারান্তরে শিক্ষার্থীকে সমাজবিচ্ছিন্ন করার ব্যবস্থা এবং সেই বিচ্ছিন্নতা শুরু হয় ‘ভাষা’ দিয়ে অর্থাৎ ‘ইংলিশ-মিডিয়াম’। ভুরুঙ্গামারী থেকে নীলক্ষেতে আগত একজন শিক্ষার্থীর জন্য ‘ইংলিশ-মিডিয়াম-ইন্সট্রাকশন’ স্রেফ ইয়ার্কি মারা। ঢাকা শহরে এ ভুরুঙ্গাদের না আছে থাকার জায়গা, না আছে পড়ার জায়গা, না আছে চোগা-চাপকান, না আছে বন্ধুবান্ধব, না আছে আত্মীয়-স্বজন, না আছে খাবার-দাবার, সর্বোপরি এগুলো যে নেই, তা প্রকাশ করার মতো যে ভাষা, সেটাও তাদের নেই! ভুরুঙ্গা অথবা ছাগলনাইয়ারা এ দেশেরই নাগরিক অথচ এ দেশের রাজধানী ও শহরগুলোর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, সমাজ ও ব্যবস্থা তাদের জন্য হনলুলু!
প্রায় সম্পর্কিত একটা বিষয়ে আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করি। নীলক্ষেতের ‘গণরুম’ ও ক্যান্টনমেন্টের ‘আয়নাঘর’ এ দুটোর ভেতর সাদৃশ্যই বেশি, দুটোর গোড়াতেই যা আছে, তা হচ্ছে: অবজ্ঞা, তফাৎ হচ্ছে একটা ‘কোমলদের জন্য, অন্যটা ‘কড়ি’দের জন্য। আচ্ছা, এই ডিজিএফআই নামীয় প্রতিষ্ঠানটির কর্মপরিধি ঠিক কতটা? নাম শুনে মনে হয় এটা ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স যেটা সশস্ত্র বাহিনীগুলোর ভেতরের খোঁজ-খবরদারি রাখার প্রতিষ্ঠান, কিন্তু কাজ শুনে দেখা যায় এরা নিরস্ত্র মানুষকে চোখ বেঁধে নিয়ে আসে, হাপিস করে দেয়, জোর করে পদত্যাগ করায়। এই ডিজিএফআইয়ের প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতির সঙ্গে কি আইএসআইয়ের প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতির কোনো মিল আছে? স্থূলভাবে দেখলে ডিজিএফআই হচ্ছে সশস্ত্র বাহিনীর ছাতার নিচে থেকে বিভিন্ন মিডিয়ার সহযোগিতায়, রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস চালিয়ে যাওয়া ও জনগণকে সন্ত্রস্ত রাখার একটা কোম্পানি। এ প্রতিষ্ঠান তার কাজকর্মের জন্য ঠিক কার কাছে দায়বদ্ধ? এনএসআই নামীয় একটা প্রতিষ্ঠান ছিল, তানারা কোথায়? সবসময় এই ডিজিএফআইয়ের মহাকর্তা হিসেবে মেজর জেনারেল বা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদবির সেনা কর্মকর্তার নাম শোনা যায়, অথচ কোনো অ্যাডমিরাল অথবা এয়ার মার্শাল দেখা যায় না। নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর কি পেশাদারত্বে কমতি আছে? যা-ই হোক, ডিজিএফআই নামীয় এ প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ ঢেলে সাজানো দরকার।
রাজনীতি আমরা প্রত্যেকেই করে থাকি, করতে হয়, না করে উপায় থাকে না, কিন্তু বিষয়টা খুবই ঘিরিঙ্গি। রাজনীতি যথাযথভাবে আমাদের দ্বারা করা হয়নি, কারণ নাগরিক হিসেবে দায়দায়িত্ব পালনে আমরা নিজেরাও তেমন আগ্রহী নই, অন্য কেউও আমাদের বাধিত করতে পারেনি। রাষ্ট্রীয় তথা সরকারি পর্যায়ে অর্থনীতি পরিচালনায় আমরা সক্ষমতা দেখাতে পারিনি। সক্ষমতার চেয়ে বেশি সম্পদপ্রাপ্ত হওয়ায়, সম্পদ ব্যবহার করে অধিকতর সম্পদ সৃষ্টি করার যে বুদ্ধি ও কৌশল তা যথেষ্ট নয়। ‘খরচ’ করতে শিখেছি বটে, তবে ‘ব্যবহার’ করতে শিখিনি এবং সে কারণেও ‘লোপাট’ বিষয়টা সর্বব্যাপ্ত ও সর্বজ্ঞাত হয়ে দুঃশাসন বোধ জন্ম দিয়ে ‘এক-দফায়’ পর্যবসিত হয়।
সদিচ্ছা সম্বল করে রাজনীতির মাঠে নেমে ‘রক্তের বন্যায় ভেসে যাবে অন্যায়’ গাইতে গাইতে ও রক্ত দান করতে করতে, আবেগের প্রচণ্ডতায় ‘উল্টাইয়া ফালামু’ও যায়, কিন্তু ‘পাল্টাইয়া ফালামু’ প্রায় বে-সম্ভব। আমাদের দেশের মানুষ যতটা না ‘উল্টানো’ চায়, তার চেয়ে বেশি চায় ‘পাল্টানো’। দুনিয়ায় অনেকেই উলট-পালট করতে পেরেছে বলেই আমরাও পারব, এ ধারণা অতি সরলীকৃত। ইতিহাসে বিপ্লব আছে, রিপাবলিকও আছে কিন্তু পাবলিক তো আমাদের! এই ‘পাবলিক’ নিয়ে সেই ‘রিপাবলিক’-এর কাছে পৌঁছা দুরূহতম কাজ তবে অসম্ভব নয়, কারণ জ্ঞান আহরণ ও প্রয়োগের দ্বারাই বুদ্ধি বেরিয়ে আসে। এ দফায় জ্ঞান-বিজ্ঞান খাটিয়ে কিছুদূর গেছেন, পরের দফায় আরেকটু যাবেন, তারপর সবকিছু পাবেন, তবে লেগে থাকতে হবে এবং মনে রাখবেন, এই বঙ্গে "শক, হূণ দল, মোগল-পাঠান, এক দেহে হলো লীন। তাই, কোনো একদিকে হেলে পড়লেই পতন অবশ্যম্ভাবী। শুভযাত্রা।
সায়ীদুল হক খান: অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক, মার্কেটিং বিভাগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়










