এরপর আটবার পে-স্কেল কার্যকর হয়েছে। সর্বশেষ ২০১৫ সালে পে-স্কেল বাস্তবায়ন হয়েছে এবং এরপর বহুবার আলোচনা হলেও নতুন পে-স্কেল কার্যকর হয়নি। সচরাচর প্রতি পাঁচ বছর পরপর পে-স্কেল বাস্তবায়ন হওয়ার কথা থাকে। কিন্তু নানা কারণে দীর্ঘদিন নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন হয়নি। যদিও এখন পে-স্কেল বাস্তবায়নের পক্ষে-বিপক্ষে নানা মন্তব্য পাওয়া যাচ্ছে। এর মধ্যে দেশের অর্থনীতিতে বাড়তি চাপ তৈরির শঙ্কাটিই সবচেয়ে বড় হয়ে ধরা দিয়েছে। কিন্তু জনপ্রশাসনিক দৃষ্টিকোণ থেকে বলতে হয়, দেশের জনপ্রশাসনের ভবিষ্যতের স্বার্থে নতুন পে-স্কেল বা বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন জরুরি।
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন কাঠামোকে কেবল একটি আর্থিক বিষয় হিসেবে দেখা ঠিক হবে না। এটি মূলত প্রশাসনিক দক্ষতা, কর্মচারী মনোবল ও রাষ্ট্রীয় সুশাসনের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। দেশে গত কয়েক বছরে নিত্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি গড়ে ৯ শতাংশও ছাড়িয়ে গেছে। বাজারে গত দশকে পণ্যমূল্য গড়ে ৪০-৫০ শতাংশ হারে বেড়েছে। এদিকে সরকারি কর্মচারীদের বেতন কাঠামো দাঁড়িয়ে আছে ২০১৫ সালের ভিত্তিতেই। সে দৃষ্টিকোণ থেকে নবম পে-স্কেলের উদ্যোগকে নতুন সরকারের সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখা জরুরি। কারণ এ উদ্যোগ অনেকটাই বিলম্বিত। নতুন করে পে-স্কেল বাস্তবায়ন না করায় বেশি বিপাকে পড়েন নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীরা। দুই অংকের কাছাকাছি থাকা মূল্যস্ফীতি সরকারি কর্মচারীদের ক্রয়ক্ষমতাকে মারাত্মকভাবে সংকুচিত করেছে। বার্ষিক ৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট এ বিশাল ব্যবধান ঘোচাতে সক্ষম নয়। ফলে কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মান বজায় রাখতে নতুন পে-স্কেল অপরিহার্য। গবেষণায় দেখা গেছে, যখন একজন কর্মচারীর বৈধ আয় দিয়ে তার মৌলিক চাহিদা (শিক্ষা, চিকিৎসা, খাদ্য) মেটানো সম্ভব হয় না, তখন প্রশাসনে অপেশাদার আচরণ ও দুর্নীতির প্রবণতা বাড়ে। একটি সম্মানজনক বেতন কাঠামো সততার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে সহায়ক। বর্তমানে মেধাবী তরুণরা সরকারি চাকরির পাশাপাশি বহুজাতিক কোম্পানি বা বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ খুঁজছে। সিভিল সার্ভিসকে আকর্ষণীয় রাখতে হলে প্রতিযোগিতামূলক বেতন কাঠামো জরুরি। বর্তমানে ২০তম গ্রেডের একজন কর্মচারীর মূল বেতন মাত্র ৮ হাজার ২৫০ টাকা। নতুন কাঠামোয় তা ২০ হাজার টাকা করার কথা রয়েছে। এরই মধ্যে নবম পে-স্কেলের একটি খসড়া তালিকা সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে এবং এ নিয়ে নানা মহলে ব্যাপক কৌতূহল দেখা দিয়েছে। খসড়া তালিকায় অনেক ক্ষেত্রে মূল বেতন গ্রেডভেদে ১০৫-১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। পরিমাণগত এ বৃদ্ধিই বুঝিয়ে দিচ্ছে, পুরনো বেতন কাঠামো অনেকাংশে অচল হয়ে পড়েছিল।
নতুন করে পে-স্কেল বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কিছু ঝুঁকি আছে। তার পরও বর্তমান আর্থিক পরিস্থিতি বিবেচনায় পে-স্কেল বাস্তবায়ন জরুরি। নতুন সরকার জনপ্রশাসনকে গতিশীল করার যে উদ্যোগ নিয়েছে তার স্বার্থেই এটি দরকার। প্রথমত, দীর্ঘ ১১ বছরে দুটো পে-স্কেল হওয়ার কথা থাকলেও কর্মচারীরা একটিও পাননি। এর মধ্যে মূল্যস্ফীতি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ার ফলে অনেকে ঋণ করতে বাধ্য হয়েছেন। অধিকাংশ মানুষই দেনার দায়ে জর্জরিত। বিশেষত সরকারি কর্মচারীদের অনেকেই ঋণ নিয়েছেন। প্রতি মাসে ঋণের টাকা কাটার পর যে বেতন তারা পান তা দিয়ে ১০-১৫ দিনের বেশি জীবনযাপন সম্ভব নয়। এজন্য নতুন পে-স্কেল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অর্থনৈতিক সুবিধা নয়, এটি একটি ন্যায্য দাবি এবং সাংবিধানিক অধিকারও বটে। জনপ্রশাসনে দক্ষ সেবা নিশ্চিত করার জন্য কর্মচারীদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করতে হবে। প্রশাসনিক ব্যবস্থায় অর্থকষ্ট কিংবা সুযোগ-সুবিধা সীমিত হলে নাগরিকদের উন্নত সেবা নিশ্চিত করা বাস্তবসম্মত হবে না।
এদিকে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের কিছু প্রতিবন্ধকতাও রয়েছে। এক্ষেত্রে অর্থনৈতিক চাপই প্রধান। এখনো যে খসড়া বেতন কাঠামো দেখা গেছে সেটি বাস্তবায়ন করলে অতিরিক্ত ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। এর মধ্যে ৮০ হাজার কোটি টাকা বেতন বাড়ানোর জন্য এবং বাকি অংশ অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের পেনশন দেয়াতে ব্যয় হবে। চলতি অর্থবছরে রাজস্ব ঘাটতি বিবেচনায় নতুন সরকারের জন্য বাড়তি এ পরিচালন ব্যয় নির্বাহ কঠিনই। আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় সরকারের পক্ষে পূর্ণাঙ্গ পে-স্কেল বাস্তবায়ন অনেকাংশে সম্ভব নয়। তবে এরই মধ্যে জানা গেছে, সরকার তিন বছর মেয়াদে কিংবা দুই ধাপে আংশিক আকারে পে-স্কেল বাস্তবায়নের কথা চিন্তা করছে। ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পথ বেছে নেয়া হয়েছে—প্রথম বছরে মূল বেতনের ৫০ শতাংশ এবং পরের দুই বছরে বাকিটুকু। এটি করতে হলেও সরকারকে রাজস্ব ঘাটতি দূর করার উদ্যোগ নিতে হবে। সেজন্য স্থানীয় সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকারের রাজস্ব আদায় পদ্ধতিকে বিকেন্দ্রীভূত ও আলাদা করার উদ্যোগ নিতে হবে। এক্ষেত্রে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বা এনবিআরকে নতুন করে সাজানো দরকার। স্থানীয় সরকার ও জনপ্রশাসনিক কাঠামো যখন পূর্ণাঙ্গভাবে কাজ করতে পারবে তখন তারা নিজ নিজ রাজস্ব আদায়ের পদ্ধতিগুলোকে দ্রুত শনাক্ত করতে পারবে।
অর্থনীতিবিদরা জানিয়েছেন, নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন জরুরি হলেও রাজস্ব আদায় বাড়ানোর পাশাপাশি পরিচালন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে একদিকে মূল্যস্ফীতি বাড়বে আর অন্যদিকে বাজেট ঘাটতি দেখা দেবে। তবে পে-স্কেল কেবল আর্থিক সিদ্ধান্ত নয়, সামাজিক ন্যায়বিচার ও কর্মচারী কল্যাণের সঙ্গেও এটি জড়িত। এজন্য পে-স্কেল বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সুচিন্তিত পরিকল্পনা জরুরি। বাজারে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছে অতিরিক্ত অর্থ এলে সরবরাহের তুলনায় চাহিদা বেড়ে যেতে পারে। তাতে মূল্যস্ফীতির নতুন চাপ তৈরি হওয়ার শঙ্কা থাকে। অর্থনীতিবিদদের মতে, বাজারে যখনই নতুন বেতন কাঠামোর ঘোষণা আসে, অমনি এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক প্রভাবে নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যায়। মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ না করে বেতন বাড়ানো হলে তা হবে বালতির তলায় ছিদ্র রেখে পানি ভরার মতো। সরকারি খাতে বড় অংকের বেতন বাড়লে বেসরকারি খাতেও তার প্রভাব পড়ে, যা সামগ্রিক উৎপাদন খরচ বাড়িয়ে দিতে পারে। এছাড়া স্বায়ত্তশাসিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের বেতন সমন্বয় নিয়েও জটিলতা তৈরি হয়।
নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে নতুন সরকারকে তাই অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে এগোতে হবে। এমনভাবে এটিকে কার্যকর করতে হবে যাতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী উৎসাহিত হন আবার এটি সরকারের জন্য বাড়তি চাপ হয়ে না দেখা দেয়। এজন্য নীতিনির্ধারণ ও সমন্বয়ের দায়িত্ব জাতীয় বেতন কমিশন, জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশন এবং সশস্ত্র বাহিনী বেতন কমিটির তিনটি প্রতিবেদনের ভিত্তিতে করতে হবে। সেটি পর্যবেক্ষণ করবে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে গঠিত বিশেষ কমিটি। এ কমিটিকে মূল্যস্ফীতির সম্ভাব্য প্রভাব, রাজস্ব আয়ের বাস্তবতা এবং বিভিন্ন গ্রেডের মধ্যে বেতনবৈষম্য হ্রাসের বিষয়গুলো একসঙ্গে বিবেচনায় নিতে হবে। এদিকে অর্থ বিভাগকে একটি বহুবার্ষিক বাজেট পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে যেখানে প্রতিটি ধাপে কত টাকা প্রয়োজন, কোথা থেকে তা আসবে এবং কোন খাতের ব্যয় হ্রাস করে অর্থ সংস্থান হবে—সেই বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে। ধাপে ধাপে পে-স্কেল বাস্তবায়ন করা হলে অর্থ বিভাগের বরাদ্দের তথ্য আগে থেকেই স্পষ্ট হতে হবে। এরপর আসে বাস্তবায়নের পর্যায়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব হলো বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে বেতন সমন্বয়ের প্রশাসনিক আদেশ দেয়া। হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের দপ্তরকে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে বেতন বিতরণ নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে একটি স্বাধীন পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা চালু রাখা প্রয়োজন যাতে বাস্তবায়নের প্রতিটি ধাপে জবাবদিহি নিশ্চিত হয়।\
প্রশাসনিক মডেলে কেবল জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে নয়, বরং মেধা ও কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে ইনক্রিমেন্ট বা বিশেষ ভাতার প্রস্তাব করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অধীনে একটি উচ্চপর্যায়ের ‘ইমপ্লিমেন্টেশন মনিটরিং কমিটি’ গঠন করা, যারা প্রতি তিন মাস অন্তর পে-স্কেলের প্রভাব ও মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনিক গতিশীলতা মূল্যায়ন করবে। বেতন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) আরো কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। এদিকে দায়িত্ব বণ্টনের ক্ষেত্রে অর্থ মন্ত্রণালয় ও আইসিটি বিভাগকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে যাতে ‘ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার’ (ইএফটি)-এর মাধ্যমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়। যেহেতু বিপুল অংকের বেতন-ভাতা এখনই বাড়ানোর ক্ষেত্রে নানা প্রতিবন্ধকতা রয়েছে সেহেতু সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অন্য সুযোগ-সুবিধা দেয়া যেতে পারে। মূল বেতন না বাড়িয়ে চিকিৎসা, আবাসন ও যাতায়াত ভাতার ক্ষেত্রে বাস্তবসম্মত পরিবর্তন আনা যেতে পারে। প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের জন্য রাজধানীর বাইরে কর্মরতদের বিশেষ প্রণোদনার আওতায় আনা যেতে পারে।
বেতন কমিশন তাদের সুপারিশে বর্তমান ২০টি গ্রেড কমিয়ে ১২টিতে আনার কথা বলেছিল। যদি তা করা যেত তাহলে বেতনবৈষম্য দূর হওয়ার পাশাপাশি প্রশাসনিক কাঠামোকে আরো সুশৃঙ্খল করার সুযোগ তৈরি হতো। বিদ্যমান বাস্তবতায় সরকারকে কৌশলী পদক্ষেপ নিতে হবে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পারফরম্যান্সভিত্তিক মূল্যায়নের অধীনে নিয়ে আসা জরুরি। এর ভিত্তিতে তাদের বেতন কাঠামো নির্ধারণ করার সুযোগ তৈরি করতে হবে। এমনটি হলে সবাই জবাবদিহি ও কাজের প্রতি নিষ্ঠাবান হওয়ার বিষয়ে মনোযোগী হবেন। এমনকি সরকারি চাকরিতে বিভিন্ন পদের পুনর্মূল্যায়ন জরুরি। কারণ সরকারি চাকরিতে এমন অনেক পদ রয়েছে যেগুলো এ মুহূর্তে আর প্রয়োজনীয় নয়। এসব পদ পুনর্মূল্যায়নের মাধ্যমে চাকরি ক্ষেত্রে দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়টিকে সাজানো জরুরি। এক্ষেত্রে কাউকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেয়ার বিষয়টিকে ইঙ্গিত করা ঠিক হবে না, বরং উপযুক্ত প্রশিক্ষণ বা কাজের দক্ষতা পরিমাপে তাদের সময়োপযোগী দায়িত্ব ও দক্ষতার ভিত্তিতে প্রশাসনিক কাজে ব্যবহার করতে হবে। দৃঢ় প্রশাসনিক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা না করতে পারলে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের ফলে শুধু প্রশাসনের পরিচালন ব্যয়ই বাড়বে। সঠিক পরিকল্পনায় এগোলে নবম পে-স্কেল বাংলাদেশের জনপ্রশাসনে একটি নতুন প্রাণশক্তি সঞ্চার করতে পারে। আর্থিক সংকট মোকাবেলায় যেমন সতর্কতা দরকার, তেমনি প্রশাসনিক কর্মীদের ন্যায্য অধিকারের প্রতি সংবেদনশীলতাও দরকার। এ দুই দিকের ভারসাম্য রক্ষাই হবে বর্তমান সরকারের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা। সরকার যদি সাহসিকতার সঙ্গে অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে একটি বৈষম্যহীন ও আধুনিক পে-স্কেল বাস্তবায়ন করতে পারে তাহলে প্রশাসনিক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে কাজ করার উৎসাহ নতুন করে জাগবে। এক্ষেত্রে সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কথা উল্লেখ করা যেতে পারে। তার নেতৃত্বে জনপ্রশাসনকে উৎসাহিত করার নানা উদ্যোগ নেয়া হয়। পরবর্তী সময়ে খালেদা জিয়াও প্রশাসনে যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়োগ দিয়েছেন এবং সুযোগ-সুবিধার পাশাপাশি জবাবদিহি নিশ্চিতের চেষ্টা করেছেন। পে-স্কেল বাস্তবায়নের মাধ্যমে আবারো জনপ্রশাসনকে উৎসাহ দেয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে তা যেন ধাপে ধাপে ও উপযুক্তভাবে বাস্তবায়ন করা যায় সে কৌশল নিয়ে ভাবতে হবে।
ড. মোসলেহউদ্দিন আহমেদ: অধ্যাপক, লোকপ্রশাসন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; সাবেক উপাচার্য, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়










