আগের দিনে বিদেশ গমনকে নেতিবাচক চোখে দেখা হতো। মেধাবীরা বিদেশে গেলে সেটি হতো জাতির বুদ্ধিক্ষরণ বা মেধা পাচার। মহাভারতে যুধিষ্ঠির বলেছেন প্রবাসীরা সুখী নয়। প্রায় তিন দশক দেশের বাইরে রয়েছি। এ অসুখী হওয়ার বিষয়টি আমার কাছে সত্য বলেই মনে হয়। কিন্তু অর্থনীতির একজন শিক্ষার্থী হিসেবে বলতে পারি যে বাঙালিরা দলে দলে প্রবাসী না হলে আজ বাংলাদেশকে বাঁচানো যেত না। আর বাইরে থাকা মানে মেধা পাচার নয়। বরং এটিকে আজকাল মেধাসংযোগ হিসেবে দেখা যায়। কারণ প্রবাসে বিদ্যা অর্জনকারী ব্যক্তি মাতৃভূমিকে জ্ঞান, প্রযুক্তি ও উন্নয়নমূলক নানা ধারণা দিয়ে সমৃদ্ধ করতে পারেন।

বিশ্ব যোগাযোগের এ যুগে পৃথিবীর যেকোনো স্থানে বসে অর্জিত বিদ্যা স্বদেশে বিতরণ করা সম্ভব। কভিডের পর কম্পিউটারের মাধ্যমে সভা, সমিতি, সেমিনার, ক্লাস নেয়া—এ কাজগুলো রেওয়াজের মধ্যে চলে এসেছে। তাই স্বদেশকর্মে প্রবাসীদের নানাভাবে অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। সমস্যা এখানে মনোবৃত্তির। প্রবাসীরা দেশের কাজে নিযুক্ত হলে বা নিযুক্ত করা হলে কিছু বাঙালির পরশ্রীকাতরতার রোগটি মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। তারা একে ‘গাছেরও খাওয়া তলেরও খাওয়া’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেন, যা আসলে চিন্তার এক ভ্রান্তি। এ সংযোগ ঘটানোর বিরুদ্ধে যারা মতামত দেন তাদের কোথাও সমস্যা রয়েছে। রবীন্দ্রনাথের কথা এখানে প্রাসঙ্গিক। তিনি বলেছেন, ‘দ্বার বন্ধ করে দিয়ে ভ্রমটারে রুখি/সত্য বলে আমি তবে কোথা দিয়ে ঢুকি।’

বাঙালি কূপমণ্ডূকতা থেকে মুক্ত হতে চায় না। বাইরের ধ্যান-ধারণার আমদানি তার গণ্ডিবদ্ধ বিদ্যাবুদ্ধির সামনে এক হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। তাই বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মান এত নিচে পড়ে থাকে। জীবন, পেশা ও অস্তিত্বের লড়াইয়ে প্রবাসীরা দ্বৈত নাগরিকত্ব গ্রহণ করে থাকেন। আপন মাতৃভূমি ছেড়ে কেউ বিদেশে যেতে চায় না। বিদ্যার্জন ও উন্নততর জীবনযাত্রার তাগিদেই বাঙালি আর ১০টি জাতির মতো স্বদেশ ছেড়ে যায়। কিন্তু নাড়ির বন্ধন ছিন্ন করে না। তার প্রমাণ স্বদেশে মুদ্রাপ্রেরণ বা রেমিট্যান্স, বিনিয়োগ ও এলাকায় প্রতিষ্ঠান নির্মাণ। মাতৃভূমি ছেড়ে হঠাৎ করে বিদেশভূমিকে বেশি আপন মনে হওয়ার জন্য কেউ দ্বৈত নাগরিকত্ব গ্রহণ করে না। সেটিও কারো সুবিধাজনক ব্যাখ্যায় এক ধরনের নরম মাত্রার রাষ্ট্রদ্রোহিতা। কিন্তু তিনি যখন টাকা পাঠান সেটি তখন দেশপ্রেমের এক জ্বলন্ত উদাহরণ হয়ে দাঁড়ায়।

দেশের নীতিনির্ধারক কর্তাব্যক্তিদের ভাবনাটি এ রকমই। তাদের বিবেচনায় প্রবাসীদের কাজ শুধু টাকা পাঠানো। ওরা ওটুকু করলেই চলবে। দেশের অভ্যন্তরে নানা নীতিনির্ধারণে তাদের ভাবনা থাকার প্রয়োজন নেই। বর্তমান সরকারের সংবিধান সংস্কার কমিশনের একজন কর্তাব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক এটিই যেন তার বড় অপরাধ। তার প্রস্তাবিত সংস্কারের বিভিন্ন ধারার আদৌ কোনো ‘মেরিট’ বা যৌক্তিকতা রয়েছে কিনা তা নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে। কিন্তু তাকে ‘ত্যাজ্যপুত্র’ করতে হবে এমন কুলীনত্বের ভাবনা দীর্ঘমেয়াদে জাতির অর্থনৈতিক স্বার্থের জন্য কল্যাণকর নয়।

সরকারের উচিত বাঙালির বিদেশী নাগরিকত্বের বিষয়টি উন্নত দেশের উত্তম চর্চার আদলে সহজভাবে স্বাগত জানানো এবং এর জন্য উপযুক্ত নীতিমালা সংযোজন ঘটানো। যে মন্ত্রী দেশের সম্পদ লুণ্ঠন করে বিদেশে তিন শতাধিক বাড়ি কেনেন, নির্বাচন এলে তিনিই সংবিধানের বিচারে ‘বড় দেশপ্রেমিক’। অন্যদিকে যিনি বিদেশের বৃত্তি নিয়ে পড়াশোনা করে বিদেশে অর্জিত অর্থের এক বড় অংশ দেশে পাঠিয়ে যাচ্ছেন তিনি রাষ্ট্রীয় অধিকার বা অন্তর্ভুক্তির বেলায় ‘অচ্ছুত’। এ কেমন বিচার? সাবেক মুদ্রা পাচারকারী মন্ত্রীদের দ্বৈত নাগরিকত্ব কিনে নেয়া আর মেধা ও শ্রমের বিনিময়ে দ্বৈত নাগরিকত্ব অর্জন করা এক কথা নয়। চট্টলার এক ব্যাংকখেকো পরিবার সিঙ্গাপুরের নাগরিকত্ব নিয়ে এখন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরকে ‘সোজা’ করে ফেলবে বলে হুংকার দিচ্ছে। এ অশুভ ঘটনার ওপর ভিত্তি করে দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিলে তা হবে আত্মঘাতী। তারা দেশকে কিছু দেয়নি। দেশকে খালি করেছে। এদের বিরুদ্ধে শক্ত আইন গড়ে তোলা উচিত।

প্রায় এক কোটি প্রবাসীর এক সিংহভাগ এখন দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে স্বদেশে রেমিট্যান্স, আমদানি, রফতানি, বিনিয়োগ ও জ্ঞান প্রবাহের মাধ্যমে অবদান রেখে যাচ্ছেন। তাদের যোগ্য সম্মান ও স্বীকৃতি প্রয়োজন। শুধু বিমানবন্দরে ‘স্যার’ সম্বোধন কিংবা সস্তায় নাশতা পরিবেশন যথেষ্ট নয়। যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব পাওয়া মানে বাংলাদেশের জন্য এক ধরনের চিরস্থায়ী রেমিট্যান্স প্রবাহের নিশ্চয়তা বা বীমা। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো বাংলাদেশীর ঘাম ঝরায় কিন্তু নাগরিকত্ব দেয় না। তাই সেসব দেশ থেকে রেমিট্যান্স প্রবাহের দীর্ঘমেয়াদি নিশ্চয়তা পাওয়া যায় না। পৃথিবীর অধিকাংশ উন্নত দেশ দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়ে অনেক আগেই দূরদর্শী নীতিমালা রচনা করেছে। যুক্তরাষ্ট্র এর নাগরিকদের একই সঙ্গে কানাডা, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, ইতালি, জার্মানি ও অস্ট্রেলিয়ার দ্বৈত নাগরিকত্ব রাখতে দেয়। এ রকম আরো উত্তম চর্চাগুলো ঘেঁটে বাংলাদেশেও একটি যুগোপযোগী ও অর্থনীতির দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থমূলক নাগরিকত্বের নীতি প্রণয়ন করা উচিত।

কীভাবে উন্নত দেশে প্রবাসী নাগরিকত্ব বাড়ানো যেতে পারে সেদিকে বাংলাদেশ সরকারের নীতিকৌশল পরিচালিত হওয়া উচিত। নানা উন্নয়নমূলক আলোচনায় ও নীতিমালার বিষয়ে প্রবাসীদের সমাদরে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। এরূপ অন্তর্ভুক্তি তো দূরের কথা, অনেক বিষয়ে প্রবাসীদের দাবি গ্রাহ্য করা হয় না। উদাহরণস্বরূপ, ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিশাল ব্যয়ে নির্মিত হলো বিশ্বমানের থার্ড টার্মিনাল। সেটির গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের কাজ অযোগ্য সংস্থা বিমানকে দেয়া হলো কেন তা বলার অধিকার নেই প্রবাসীদের। তারা ২০-৩০ ঘণ্টা ভ্রমণের ঝক্কি নিয়ে এসে আবার ‘চির-অথর্ব’ বলে খ্যাত সেই বিমান সংস্থার অদক্ষ কর্মচারীদের অত্যাচারের কবলে পড়তে চান না। প্রবাসীরা দেশের ভালো চান। কিন্তু তারা দেশের দুর্নীতিগ্রস্ত সংস্থাকে মেনে নিতে নারাজ। কারণ এ অদক্ষতা ও দুর্নীতি দীর্ঘমেয়াদে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ও অর্থনীতি—এ দুটোরই ক্ষতিসাধন করবে।

দেশের জন্য বিশ্বমানের সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান চাওয়া প্রবাসীদের জন্য কোনো অন্যায় নয়। এটি ন্যায্যতার প্রত্যাশা। নবাবি স্টাইলে মন্থর গতিতে লাগেজ হ্যান্ডেল করা কিংবা ব্যাগ কাটানো বা ফাটানোয় এ সংস্থাটির খ্যাতি কে-না জানে। দুর্নীতির কারণে এরা জাতির ঘাড়ে লোকসানের বোঝা চাপায়। তারপরও তাদেরকে কাজ দিতে কিছু মধ্যস্বত্বভোগীর প্রবল প্রতাপ। বিস্ময়কর যে এই অন্তর্বর্তী সরকারও এত সংস্কারের কথা বলে শেষ পর্যন্ত সেই বিমানের হাতে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের কাজ দিল, যা দীর্ঘমেয়াদে ভ্রমণ ও পর্যটনের ক্ষতি করবে। নষ্ট হবে জাতির ভাবমূর্তি। প্রবাসীরা যেহেতু বিমানবন্দরটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করেন, তাই সরকারে উচিত ছিল তাদের মতামত নেয়া। ভোট হলে শতকরা ৯০ জন প্রবাসী বিমানকে এ কাজ দেয়ার বিপক্ষে থাকতেন। এটি দেশপ্রেমেরই যৌক্তিক প্রত্যাশা।

বাংলাদেশের অর্থনীতির দুর্বলতা-মাপক দলিলের নাম বার্ষিক বাজেট যেখানে সরকারের রাজস্ব আদায়ে অক্ষমতা এক ক্রমবর্ধমান সমস্যা। এ রাজস্ব অক্ষমতার কবলে পড়ে বাজেট হয়ে যায় ব্যাপক মাত্রায় ঋণনির্ভর। অভ্যন্তরীণ ঋণ সুদহার বাড়িয়ে বিনিয়োগে বাধা সৃষ্টি করে। সরকার ব্যাংক খাত থেকে ঋণ নিলে মোট ঋণের প্রাপ্যতা কমে যায়। তখন বড়দাগের খেলাপিরা ঠিকই ঋণ বাগিয়ে নেয়। কিন্তু বঞ্চিত হয় ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের ব্যবসা, যা দীর্ঘমেয়াদে বেকারত্ব বাড়ায়। বিদেশী ঋণ বাড়লে দেশের ঋণ প্রদানে ঝুঁকি বাড়ে। এতে বিদেশী বিনিয়োগ আসতে ভয় পায়।

অন্যদিকে অভ্যন্তরে বিনিয়োগ কাঙ্ক্ষিত হারে না বাড়ায় বিদেশী বিনিয়োগও নিরুৎসাহিত হয়। এতে সরকারের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ হিসাব তথা লেনদেনের ভারসাম্যে সংকট সৃষ্টি হয়। ২০২৩-২৪ কালপর্বে লেনদেনের ভারসাম্যে ডলার সংকট প্রকট হয়ে পড়েছে। ২০২১ সালের আগস্টে চল্লিশোর্ধ্ব বিলিয়ন ডলারের রিজার্ভ শেষকালে ২০ বিলিয়ন ডলারেরও নিচে নেমে যায়। ২০২৫ সালের ২৩ মার্চ রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৯ দশমিক ৯৭ বিলিয়ন ডলারে। এ রিজার্ভ সংকট মোকাবেলায় সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে রেমিট্যান্স প্রবাহ। এটি মুমূর্ষু রোগীকে রক্তদানের মতো এক মূল্যবান দায়িত্ব পালন করছে।

২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর কমে গেছে রাজস্ব বৃদ্ধির হার, যা গত সাত মাসে প্রায় শতকরা দুই ভাগ প্রবৃদ্ধি দেখাতে পেরেছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রাজস্বের প্রবৃদ্ধি ছিল শতকরা প্রায় সাড়ে ১৫ ভাগ। প্রায় ১৭ ভাগ কমেছে বিদেশী বিনিয়োগ। আমদানিতে ব্যাপক কষনি দেয়ার ফলে রফতানির প্রবৃদ্ধি আশানুরূপ নয়। চব্বিশের অর্থবছরে রফতানির প্রবৃদ্ধি যেখানে হয়েছিল শতকরা ঋণাত্মক ৬ ভাগ, সেখানে রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি হয়েছিল শতকরা ধনাত্মক ১০ দশমিক ৭ ভাগ। গত ২০২৩-২৪-এর অর্থবছরে ২৪ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্সের বিপরীতে চলতি ২০২৪-২৫-এর অর্থবছরে রেমিট্যান্সের পরিমাণ প্রায় ২৮ বিলিয়ন ডলার হবে বলে অনুমান করছি।

গত আট মাসের প্রবণতা সে রকম চিত্রই দেখায়, যা প্রায় শতকরা ১৭ ভাগ প্রবৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে। অর্থাৎ রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অর্থনীতির দুঃসময়ের বড় সহায়। তাই রেমিট্যান্স প্রেরণকারীরাও বাংলাদেশের দুঃসময়ের বড় বন্ধু। তাদের কার বিদেশী নাগরিকত্ব রয়েছে কিংবা কার নেই—সে জাতীয় উন্নাসিকতা অকৃতজ্ঞতার শামিল। যিনি যোগ্যতার বলে বিদেশী নাগরিকত্ব অর্জন করেছেন— মিলিয়ন ডলার বাংলাদেশে পাঠালেও তিনি অচ্ছুত হবেন এটি বিকৃত চিন্তা। পক্ষান্তরে যিনি নাগরিক হতে না পেরে প্রচার করছেন যে তিনি বিদেশী নাগরিকত্ব নেননি, তাকে সমাদরে জাতীয় নীতিনির্ধারণে ডেকে এনে পারলে জাতীয় পুরস্কার প্রদান করা আরেক ধরনের বিকৃতি।

পৃথিবীর উন্নত দেশগুলো প্রবাসীদের মান ও মেধার অবদানে উন্নয়ন চলমান রেখেছে। সেখানে নাগরিকত্ব গ্রহণ এক ধরনের কৌশলগত সুবিধা ও অধিকার অর্জনের বিষয়। আপন দেশকে ভুলে যাওয়া বা পরদেশের প্রেমে অন্ধ হয়ে মাতৃভূমিবিদ্বেষী হওয়ার বিষয় নয়। ভবিষ্যতে মধ্যপ্রাচ্যের তেলের বাজার ক্রমে মরে যাবে। বাংলাদেশের শ্রমিকদের ভবিষ্যৎও মরে যাবে সেসব দেশে। ভরসার জায়গা থাকবে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপীয় দেশগুলো যেখানে কোটি কোটি বাঙালি নাগরিকত্ব নিয়ে সুযোগ্য কর্মের বলে উপার্জন করে দেশে টাকা পাঠাবে। সরকারের উচিত হবে সে লক্ষ্যে প্রবাসীদের অগ্রিম মান উন্নয়নের চেষ্টা, ইংরেজির চর্চা বাড়ানো, কারিগরি ও বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষার দিকে মনোযোগ বাড়ানো। রাষ্ট্রীয় উন্নয়নমূলক নীতিনির্ধারণেও তাদেরকে শরিক করতে হবে, যা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের পূর্বশর্ত।

ড. বিরূপাক্ষ পাল: যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্ক অ্যাট কোর্টল্যান্ডে অর্থনীতির অধ্যাপক। লেখকের সাম্প্রতিক গ্রন্থদ্বয় সংকটকালের অর্থনীতি এবং বাংলাদেশের অর্থনীতির সংস্কার