কারণ এ প্রযুক্তি স্থাপনে ব্যয় অনেক। লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল (এলএলএম) ব্যবহারের প্রতি ইউনিট খরচ কমছে। অন্যদিকে এর ব্যবহার এত বেড়েছে যে প্রতিষ্ঠানের ব্যয়ও আরো বেড়েছে। গবেষণাও দেখাচ্ছে, অনেক এআই তাদের প্রত্যাশিত লক্ষ্য পূরণ করতে পারেনি। অনেক প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক কৌশল, মূল্য নির্ধারণের পদ্ধতি এবং দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার মডেল অনিচ্ছাকৃতভাবে এআইয়ের কাছে উন্মুক্ত হতে পারে। এ জ্ঞান প্রতিযোগীরা পেলে বাজারে শক্ত অবস্থান গড়ে নেবে।
এআইয়ের দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাবও উদ্বেগের। তাই সরকারকে নতুন সামাজিক ব্যয় ও কর ব্যবস্থা বিবেচনা করতে হতে পারে। এমন এআই সরবরাহকারীর সঙ্গে কাজ করতে হবে যারা প্রকৃত ফলের প্রতি দায়বদ্ধতা থাকবে। এআই কোম্পানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল না হয়ে একাধিক মডেল এবং প্রয়োজনে বিকল্প বিবেচনা করা উচিত। শুধু প্রচারণা বা প্রত্যাশার ওপর নির্ভর করে নয়; এর প্রকৃত মূল্য নির্ধারণ করতে হবে বাস্তব উৎপাদনশীলতা, অর্থনৈতিক লাভ, তথ্যের নিরাপত্তা এবং দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক প্রভাবের ভিত্তিতে।
ডামবিসা মোয়ো: সদস্য, হাউজ অব লর্ডস, যুক্তরাজ্য
প্রজেক্ট সিন্ডিকেটে প্রকাশিত লেখকের নিবন্ধের সংক্ষেপিত ভাষান্তর










