অর্থাৎ বড় আকারের বিনিয়োগ মিলবে না। এ চুক্তি হয়েছিল অনির্বাচিত এক সরকার কাঠামোর সঙ্গে। আমরা দেখেছি, যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টেও ট্যারিফ দেয়ার কাঠামো নাকচ হয়ে গেছে।
এ অবস্থায় বাংলাদেশের কূটনৈতিক মহলকে আবার দরকষাকষিতে যেতে হবে। অন্তর্বর্তী সরকার যেভাবে দরকষাকষি করেছে সে অবস্থা থেকে সরে যেতে হবে। এমন একপেশে সমঝোতার কারণে কোনো দেশই এখানে বড় বিনিয়োগে আগ্রহী হবে না। উল্টো সরে যাবে। মনে রাখতে হবে, নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর কোনো দেশই বড় ধরনের চুক্তিতে যেতে পারে না। নির্বাচিত সরকারের জন্য অপেক্ষা করতে হয়। ফলে আমার ধারণা, বাংলাদেশের আদালতে বিষয়টি উত্থাপিত হলে চুক্তিটি স্থগিত হয়ে যেতে পারে। দ্বিতীয়ত, যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টেও ট্যারিফের বিষয়টি নাকচ করে দেয়া হয়েছে। তাই আমাদেরও আবার আলোচনার একটা সুযোগ তৈরি হয়েছে। এখন কূটনীতিক মহলকে সর্বোচ্চ পেশাদারত্বের পরিচয় দিতে হবে। সমঝোতার ক্ষেত্রে আমরাই যেন সবদিকে সুবিধা পাই তা নিশ্চিত করতে হবে। সর্বোচ্চ পেশাদারত্বের মাধ্যমেই আমরা আমেরিকাকে চুক্তি পুনর্বিবেচনা করার জন্য রাজি করাতে পারব।
ড. ইমতিয়াজ আহমেদ: অধ্যাপক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়









