তারা যুক্তি দেয়, নির্দিষ্ট পণ্যের দাম বাড়লেও তা সার্বিক জাতীয় মূল্যস্ফীতিতে দীর্ঘস্থায়ী ছাপ ফেলে না। অতীত ইতিহাসও অনেক ক্ষেত্রে এ ব্যাখ্যার পক্ষে সায় দিয়েছে। কিন্তু অর্থনীতিতে আধা ডজন বা তার বেশি জায়গায় মূল্যের চাপ তৈরি হলে তাকে সাময়িক ব্যাখ্যায় পাশ কাটানো অসম্ভব। বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনীতি ঠিক এ বহুমাত্রিক সংকটের পথেই হাঁটছে।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভসহ বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো এক অভূতপূর্ব পরিস্থিতির মুখোমুখি। এ দীর্ঘস্থায়ী চাপের পেছনে যুদ্ধ, আবহাওয়া ও প্রযুক্তিসহ একাধিক অনুঘটক কাজ করছে। নীতিনির্ধারকরা প্রায়ই খাদ্য ও জ্বালানির দাম বাদ দিয়ে ‘কোর ইনফ্লেশন’ বা মূল মূল্যস্ফীতি কম দেখানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু বাস্তবে সাধারণ পরিবারগুলো তাদের দৈনন্দিন হিসাব করে ‘হেডলাইন ইনফ্লেশন’ বা সার্বিক বাজারদরের ওপর ভিত্তি করে। তাছাড়া খাদ্য ও জ্বালানির চড়া দাম দীর্ঘদিন বজায় থাকলে তা শেষ পর্যন্ত কোর ইনফ্লেশনের ওপরই গিয়ে পড়ে। এ সম্মিলিত চাপকে কেবল নিষ্ক্রিয় দৃষ্টিতে দেখে মূল্যস্ফীতি কমার আশা অলীক। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের ভারসাম্য রক্ষা করতে গিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোকে আবারো কঠোর মুদ্রানীতির পথেই হাঁটতে হতে পারে।
মাইক ডোলান: রয়টার্সের অর্থায়ন ও পণ্যবাজারবিষয়ক প্রতিবেদক ও কলামিস্ট
রয়টার্সে প্রকাশিত নিবন্ধের সংক্ষেপ










