আইএমএফের প্রাক্কলন অনুযায়ী, চলতি বছর বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে ৩ শতাংশ, যা ২০২৭ সালে সামান্য বেড়ে ৩ দশমিক ৪ শতাংশে উন্নীত হতে পারে। বৈশ্বিক অর্থনীতিতে যে শ্লথগতি তৈরি হয়েছে, এআই ও নতুন প্রযুক্তির দ্রুত প্রসার এবং এ খাতে বৈশ্বিক চাহিদা বৃদ্ধি সে মন্দাভাবকে আংশিক প্রশমিত করেছে। অর্থনীতির জন্য অন্যতম উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি। ২০২৪ সালের শুরু থেকে বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি কমার (ডিইনফ্লেশন) যে ধারাবাহিকতা লক্ষ করা গিয়েছিল, বর্তমানে তা একপ্রকার স্থবির হয়ে পড়েছে। এগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার পথে ঝুঁকির পাল্লাই এখনো ভারী। বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবেলায় আইএমএফ তিনটি প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকারের কথা উল্লেখ করেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর স্বাধীনতা বজায় রাখা, স্পষ্ট নীতিগত যোগাযোগ ও শক্তিশালী আর্থিক নজরদারির মাধ্যমে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে এনে মূল্য স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে হবে। সরকারি ঘাটতি পূরণে রাজস্ব বাফার পুনরায় তৈরি করতে হবে। সরকারি সহায়তা হতে হবে সুনির্দিষ্ট ও সাময়িক। জ্বালানি নিরাপত্তা সুসংহত করার পাশাপাশি এআই-ভিত্তিক অবকাঠামো গঠনে কাঠামোগত সংস্কার বেগবান করা প্রয়োজন।

পেত্যা কোভা ব্রুকস: ডেপুটি ডিরেক্টর, গবেষণা বিভাগ, আইএমএফ

আইএমএফের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত মাসিক আউটলুকের অনুলিখন