নতুন এ শুল্ক ব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্রের মোট আমদানির ৯৯ শতাংশের ওপরই প্রযোজ্য হবে এবং এটি আগে আরোপিত অস্থায়ী ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্কের স্থলাভিষিক্ত হবে।

শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তটিকে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মীদের সুরক্ষা ও বিদেশী উৎপাদকদের অসৎ মূল্য সুবিধা বন্ধ করার উদ্যোগ হিসেবে দেখা হয়েছে। এদিকে বিশ্লেষকরা এটিকে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক রায় এড়ানোর কৌশল হিসেবে বিশ্লেষণ করছেন। গত বছর এপ্রিলে ট্রাম্প জরুরি আইন প্রয়োগ করে বৈশ্বিক যে শুল্ক আরোপ করেন তা সুপ্রিম কোর্ট খারিজ করে দিয়েছিলেন। ফলে এবার ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের ‘সেকশন ৩০১’-এর অধীনে বাধ্যতামূলক শ্রমের ইস্যুকে সামনে আনা হয়েছে, যা আদালত দ্বারা বাতিল হওয়া কঠিন। বিশেষজ্ঞদের মতে, বাধ্যতামূলক শ্রমের সমস্যাটি চীনের ক্ষেত্রে প্রকট হলেও ইইউ বা অন্যান্য উন্নত দেশের ক্ষেত্রে তা নগণ্য। ইইউর শ্রম আইন যথেষ্ট কঠোর এবং তারা ২০২৭ সালের ডিসেম্বর থেকে বাধ্যতামূলক শ্রমে তৈরি পণ্যের ওপর পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে যাচ্ছে। সমালোচকদের মতে, চীনের আসল বাণিজ্য সমস্যা সমাধান এবং বিকল্প সাপ্লাই চেইন তৈরি না করে ট্রাম্প প্রশাসন বিশ্বজুড়ে একটি অনাবশ্যক শুল্কযুদ্ধ তৈরি করছে।

নিক মার্টিন: ডয়চে ভেলের চীনবিষয়ক প্রতিবেদক। ডয়চে ভেলেতে লেখকের বিশ্লেষণের সংক্ষেপিত ভাষান্তর