বিশেষত আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে। সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হলো, ঢাকার বাইরের অধিকাংশ জেলা ও উপজেলায় পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নেই। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে জনবল, বাজেট ও অবকাঠামো থাকলেও দেশের অধিকাংশ জেলা শহরে পর্যাপ্ত প্রস্তুতিই নেই। বিশেষজ্ঞ না থাকায় ডেঙ্গুর ঝুঁকি বাড়লেও বৈজ্ঞানিকভাবে পরিস্থিতি মোকাবেলা করা যাচ্ছে না।
এও সত্য, মশক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব সবসময় দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনবলের হাতে দেয়া হয় না। অথচ এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ একটি বিশেষায়িত কাজ। এ মশা সম্পর্কে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের নেতৃত্বে লক্ষ্যভিত্তিক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম পরিচালনা করা জরুরি। নিয়মরক্ষার তাগিদে মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি চালালে কাঙ্ক্ষিত ফল মিলবে না। এডিস নিয়ন্ত্রণে এ মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীকে এমনভাবে রাখতে হবে যাতে মশা তাকে কামড়াতে না পারে এবং নতুন করে সংক্রমণ না ছড়ায়। এ মশার সংখ্যাও কার্যকরভাবে কমাতে হবে যেন কামড়াতে না পারে। যদি এ তিন কাজ সফলভাবে করা যায় তাহলে এডিসের সংক্রমণ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।
ড. কবিরুল বাশার: কীটতত্ত্ববিদ ও অধ্যাপক, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়









