আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এ ধরনের চুক্তির মূল লক্ষ্য থাকে উভয় দেশের মধ্যে আমদানি-রফতানি পর্যায়ে শুল্কহার সমান বা একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে নিয়ে আসা।

তাত্ত্বিকভাবে এ ধরনের চুক্তিকে নিরপেক্ষ মনে হলেও বাস্তবতার নিরিখে যখন একটি উন্নত ও বিশাল অর্থনীতির দেশের সঙ্গে একটি উন্নয়নশীল বা স্বল্পোন্নত দেশের এমন চুক্তি স্বাক্ষর হয়, তখন তার ফলাফল বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই সমতাভিত্তিক হয় না। বাংলাদেশের অর্থনীতি এমনিতেই নানামুখী বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। মূল্যস্ফীতি, রিজার্ভ সংকট ও কর্মসংস্থানের অভাবের মতো সমস্যাগুলোর মাঝে এ ধরনের একটি বড় চুক্তি দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির ওপর সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলতে পারে। এরই মধ্যে বিভিন্ন অর্থনীতিবিদ, বাণিজ্য বিশ্লেষক ও সুশীল সমাজের পর্যালোচনায় এটি স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে যে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সদ্য স্বাক্ষরিত এ চুক্তি মূলত অসম চুক্তি। চুক্তিটি যেহেতু এরই মধ্যে স্বাক্ষর হয়ে গেছে, তাই এ মুহূর্তে চাইলেই এটিকে হয়তো রাতারাতি বাতিল বা স্থগিত করা সম্ভব নয়। তবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের নিয়মানুযায়ী এ ধরনের চুক্তির ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকে। চুক্তি স্বাক্ষরের পর সাধারণত ১৮০ দিনের একটি উইন্ডো বা সময়সীমা থাকে, যার মধ্যে যেকোনো এক পক্ষ চাইলে চুক্তিটিকে পুনর্মূল্যায়ন করতে পারে, অথবা গুরুতর স্বার্থহানির ক্ষেত্রে এটি বাতিলও করতে পারে। নবনির্বাচিত সরকার এবং নতুন সংসদের সামনে এখন সবচেয়ে বড় ও জরুরি চ্যালেঞ্জ হলো, দেশের বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষায় এ চুক্তির চুলচেরা বিশ্লেষণ করা এবং কালক্ষেপণ না করে প্রয়োজনীয় আইনি ও কূটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

রাজনৈতিক পালাবদল ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়ভার

চুক্তিটি এমন এক ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক সন্ধিক্ষণে স্বাক্ষরিত হয়েছে, যখন বাংলাদেশ একটি বড় ধরনের রাজনৈতিক পালাবদলের মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হচ্ছিল। চুক্তির শেষ পর্যায়ের আলোচনা, দরকষাকষি এবং চূড়ান্তকরণের পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়েছে সদ্য বিদায়ী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ই। বিশেষ করে ড. খলিলুর রহমানের মতো গুরুত্বপূর্ণ উপদেষ্টার নেতৃত্বে এবং তাদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে এ চুক্তির কাজ এগিয়ে নেয়া হয়। একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান এবং মূল ম্যান্ডেট থাকে দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা, দৈনন্দিন প্রশাসনিক কাজ পরিচালনা করা এবং একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা। একটি স্বল্পমেয়াদি সরকারের সময়ে দেশের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনীতি ও বাণিজ্যকে গভীরভাবে প্রভাবিত করতে পারে এমন একটি কৌশলগত চুক্তি চূড়ান্ত হওয়াটা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে যথেষ্ট বিস্ময়কর। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় যেকোনো আন্তর্জাতিক চুক্তির আগে ব্যাপক জনমত যাচাই এবং সংসদে বিতর্কের রেওয়াজ থাকলেও এক্ষেত্রে তার মারাত্মক ব্যত্যয় ঘটেছে।

এর চেয়েও বেশি উদ্বেগের বিষয় হলো দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর নীরবতা। দেখা গেছে যে দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপিকেও এ চুক্তির বিষয়ে শক্ত বা জোরালো কোনো অবস্থান নিতে দেখা যায়নি। জাতীয় অর্থনীতিকে সরাসরি ও গভীরভাবে প্রভাবিত করতে পারে এমন একটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর চুক্তির বিষয়ে বৃহৎ রাজনৈতিক দলগুলোর এ রহস্যজনক নীরবতা সাধারণ জনমনে গভীর সন্দেহ, তীব্র উদ্বেগ ও অস্বস্তি তৈরি করেছে। রাজনৈতিক দলগুলোর এ নীরবতা কি কেবলই ভূরাজনৈতিক সমীকরণ ও কূটনৈতিক ফল, নাকি চুক্তির দীর্ঘমেয়াদি শর্তগুলো সম্পর্কে তাদের পর্যাপ্ত ধারণার অভাব, সেটি একটি বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখন যেহেতু একটি নির্বাচিত সরকার ও সংসদ দায়িত্ব গ্রহণ করেছে, তাই এ নীরবতার সংস্কৃতি ভেঙে জাতীয় স্বার্থে কথা বলার সময় এসেছে।

অসম চুক্তির ফাঁদ ও আদানির দৃষ্টান্ত

আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে অসম চুক্তির খেসারত বাংলাদেশকে অতীতেও চরমভাবে দিতে হয়েছে। একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ হিসেবে ভারতের আদানি গ্রুপের সঙ্গে করা বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তির কথা স্মরণ করা যেতে পারে। বিভিন্ন বিশেষজ্ঞের মতে, আদানির সঙ্গে করা সেই চুক্তিটিও ছিল বাংলাদেশের স্বার্থের চরম পরিপন্থী এবং গভীরভাবে অসম। কিন্তু চুক্তির আইনি বাধ্যবাধকতা, আন্তর্জাতিক চাপ এবং রাষ্ট্রীয় চুক্তির ধারাবাহিকতা রক্ষার অজুহাতে বিভিন্ন সরকারের সময়েও সেই অসম চুক্তির বিপুল আর্থিক বোঝা বাংলাদেশের অর্থনীতিকে টানতে হয়েছে এবং অন্তর্বর্তী সরকারকেও তা বাধ্য হয়ে চালিয়ে নিতে হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা এ নতুন বাণিজ্য চুক্তিও কি আদানির চুক্তির মতোই আরেকটি দীর্ঘমেয়াদি বোঝায় পরিণত হতে যাচ্ছে?

বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ, যার অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হলো তৈরি পোশাক খাতের রফতানি ও প্রবাসী আয়। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের বৃহত্তম ও শক্তিশালী অর্থনীতি। পারস্পরিক শুল্ক সুবিধার অর্থ হলো, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের বাজারে যে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে, বাংলাদেশও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে অনুরূপ সুবিধা পাবে। কিন্তু বাস্তবে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপ্রযুক্তির, বিশাল পুঁজির এবং বিপুল ভর্তুকিপ্রাপ্ত পণ্য যখন বাংলাদেশের বাজারে বিনা বাধায় প্রবেশ করবে, তখন স্থানীয় উদীয়মান শিল্পগুলো অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়ে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে চলে যেতে পারে। অন্যদিকে বাংলাদেশের রফতানি পণ্যের তেমন কোনো বৈচিত্র্য না থাকায়, আমরা যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে সেই শুল্ক সুবিধার কতটা প্রকৃত সদ্ব্যবহার করতে পারব, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।

নবনির্বাচিত সংসদের ভূমিকা ও ১৮০ দিনের সুযোগ

যেহেতু চুক্তিটি স্বাক্ষর হয়ে গেছে, তাই এখন কেবল হতাশা প্রকাশ বা রাজনৈতিক দোষারোপের চেয়ে বাস্তবসম্মত আইনি ও কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেয়া বেশি জরুরি। আগেই উল্লেখ করা হয়েছে যে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চুক্তিগুলোতে সাধারণত ১৮০ দিনের একটি পুনর্মূল্যায়ন বা রিভিশন পিরিয়ড থাকে। এ সময়ের মধ্যে চুক্তির শর্তগুলো পুনরায় আলোচনা করার সুযোগ থাকে। নবনির্বাচিত সরকার ও সংসদ বসার পর সর্বপ্রথম কাজ হওয়া উচিত এ চুক্তি নিয়ে জাতীয় সংসদে একটি উন্মুক্ত ও বিস্তারিত আলোচনা করা।

এ চুক্তিকে বাংলাদেশের অনুকূলে আনার কোনো সুযোগ আছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে সরকারকে অবিলম্বে একটি সর্বদলীয় এবং মাল্টি-স্টেকহোল্ডার (বহু-অংশীজন) কমিটি গঠন করতে হবে। এই কমিটিকে যেসব সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব পালন করতে হবে

বিস্তারিত ও কারিগরি মূল্যায়ন: রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকে, বিশেষ করে সংসদীয় কমিটির মাধ্যমে এ চুক্তির প্রতিটি ধারা ও উপধারা গভীরভাবে বিশ্লেষণ করতে হবে।

ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ: চুক্তিটি অবিকৃত অবস্থায় বাস্তবায়ন হলে স্থানীয় শিল্প এবং প্রান্তিক উৎপাদকদের কী পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হতে পারে, তার একটি বস্তুনিষ্ঠ পরিসংখ্যান তৈরি করা।

সংশোধন বা বাতিল প্রস্তাব প্রণয়ন: বিশ্লেষণের পর যদি দেখা যায় যে চুক্তিটি দেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর, তবে আন্তর্জাতিক আইন মেনে এটিকে পুরোপুরি বাতিল করা সম্ভব কিনা তা যাচাই করা। আর যদি একতরফা বাতিল করলে অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক ক্ষতি আরো বেশি হওয়ার আশঙ্কা থাকে, তবে কীভাবে এর শর্তগুলোকে সংশোধন করে বাংলাদেশের অনুকূলে আনা যায়, সেই বাস্তবসম্মত পথ খোঁজা।

কূটনৈতিক তৎপরতা এবং প্রগতিশীল চুক্তির সম্ভাবনা

যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান ও বৃহৎ রফতানি গন্তব্য, বিশেষ করে আমাদের লাইফলাইন খ্যাত তৈরি পোশাক খাতের জন্য। তাই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক অবনতি করা বা সরাসরি কোনো আলোচনা ছাড়াই চুক্তিটি একতরফাভাবে বাতিল করা বাংলাদেশের জন্য কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে চরম ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। এ কারণে অত্যন্ত আন্তরিকতা, বুদ্ধিমত্তা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এ বিষয়ে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা চালিয়ে যেতে হবে।

আমরা যদি পেছনের দিকে তাকাই, তবে দেখতে পাব যে অতীতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কো-অপারেশন ফোরাম এগ্রিমেন্ট বা টিকফা চুক্তির সময়ে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের যে বিষয়গুলো অস্পষ্ট বা অমীমাংসিত ছিল, এই রেসিপ্রোকাল চুক্তির বাস্তবতায় সেগুলো আরো জটিল আকার ধারণ করতে পারে। তাই আমাদের উচিত হবে টিকফার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে একটি আরো বেশি প্রগতিশীল দ্বিপক্ষীয় চুক্তির দিকে অগ্রসর হওয়ার প্রস্তাব দেয়া। যুক্তরাষ্ট্রকে এটি স্পষ্টভাবে বোঝাতে হবে যে একটি উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশের তার নিজস্ব স্থানীয় শিল্পকে সুরক্ষা দেয়ার সম্পূর্ণ আইনি, নৈতিক ও যৌক্তিক অধিকার রয়েছে।

ডব্লিউটিও ফ্রেমওয়ার্ক এবং দেশীয় শিল্প সুরক্ষা

কূটনৈতিক পর্যায়ে সর্বোচ্চ দেনদরবার করার পরও যদি দেখা যায় যে এ অসম চুক্তি কোনোভাবেই বাতিল বা উল্লেখযোগ্য সংশোধন করা যাচ্ছে না, তবে সরকারকে সম্পূর্ণ ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করতে হবে। এ অবস্থায় বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) নিয়মকানুন এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আইনের ভেতরে থেকেই স্থানীয় অর্থনীতিকে কীভাবে শক্তিশালী করা যায়, তার উপায় বের করতে হবে।

যখন বিদেশী সস্তা পণ্য দেশীয় বাজার সয়লাব করে দেয়, তখন ডব্লিউটিওর নিয়মের অধীনে অ্যান্টি-ডাম্পিং ডিউটি, কাউন্টারভেইলিং ডিউটি বা সেফগার্ড মেজারস প্রয়োগের সুযোগ থাকে। সরকারকে এ কৌশলগুলোর সদ্ব্যবহার করতে হবে। এ চুক্তির ফলে দেশের অভ্যন্তরে যেসব ডোমেস্টিক স্টেকহোল্ডার বা দেশীয় উৎপাদকরা সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন তাদেরকে বাজারে টিকিয়ে রাখার জন্য সরকারকে বিশেষ প্রণোদনা, আর্থিক সহায়তা ও নীতিগত সহায়তা প্রদান করতে হবে।

পরিশেষে এটি বলা যায় যে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কূটনীতি মূলত একটি অত্যন্ত জটিল ও নির্দয় দাবা খেলা। এখানে আবেগ, রাজনৈতিক দুর্বলতা বা বন্ধুত্বের চেয়ে নিজ দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষা করাই মুখ্য বিষয়। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার এই রেসিপ্রোকাল ট্রেড এগ্রিমেন্ট আমাদের নতুন নির্বাচিত সরকারের জন্য একটি বড় ধরনের অগ্নিপরীক্ষা। চুক্তির শর্তগুলো নিঃসন্দেহে আমাদের জন্য একটি অস্বস্তিকর নজির তৈরি করেছে। কিন্তু হতাশ না হয়ে এ ১৮০ দিনের উইন্ডোকে কাজে লাগিয়ে জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় আমাদের সর্বোচ্চ বুদ্ধিবৃত্তিক ও কূটনৈতিক শক্তি প্রয়োগ করতে হবে। রাজনৈতিক দলমত নির্বিশেষে দেশের অর্থনীতিকে রক্ষার জন্য একটি ঐক্যবদ্ধ অবস্থান গ্রহণ করা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি। আমাদের নীতিনির্ধারকদের মনে রাখতে হবে যে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ছাড়া ভৌগোলিক স্বাধীনতা অনেকাংশেই অর্থহীন হয়ে পড়ে। নতুন সরকারের কাছে জনগণের প্রত্যাশা, তারা কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর বা বিদেশী শক্তির স্বার্থের কাছে মাথানত না করে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সুরক্ষাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবে।

আলাউদ্দীন মোহাম্মদ: নির্বাহী পরিচালক, আইপিজিএডি