অনেক উন্নয়নশীল দেশের আগে এ ধরনের মজুদ ছিল না এবং অতীতে এত বড় সংকটেও পড়েনি। ফলে দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত, পাকিস্তান থেকে শুরু করে ফিলিপাইন এবারই প্রথম কৌশলগত মজুদ গড়ার কথা ভাবছে। যাদের আগে কিছুটা মজুদ ছিল তারা সেটি বাড়ানোর পরিকল্পনা নিচ্ছে।

দক্ষিণ আফ্রিকা এই প্রথম জাতীয় জ্বালানি মজুদ বাড়ানোর পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে। অন্যদিকে ভারতের আগে থেকেই কিছু জাতীয় মজুদ ব্যবস্থা ছিল। দেশটি বড় তেল ও গ্যাস উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মজুদ ক্ষমতা বাড়ানোর কিছু নতুন পরিকল্পনা এনেছে। পাশাপাশি এর সম্প্রসারণে আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানির সঙ্গে যৌথ সহযোগিতার পরিকল্পনাও করেছে। তবে এসব পরিকল্পনার বেশির ভাগই দীর্ঘমেয়াদি। এজন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ ব্যয়বহুল। অন্যদিকে অবকাঠামো হলেও জ্বালানি পণ্য কিনে রাখা খরচের ব্যাপার। পর্যাপ্ত শোধন ক্ষমতা না থাকলে অপরিশোধিত তেলকে দ্রুত জেট ফুয়েল, পেট্রল বা ডিজেলে রূপান্তর সম্ভব নয়। অনেক দেশেই কিছু স্টোরেজ ব্যবস্থা আছে, যা জরুরি প্রয়োজনে বা স্বল্পমেয়াদে ভাড়া নেয়া সম্ভব। নীতিনির্ধারকরা এগুলো পুনর্বিবেচনা হয়তো করবেন।

জোসেফ কটরেল: এমার্জিং মার্কেটস প্রতিবেদক, ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস

ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস পডকাস্টে দেয়া সাক্ষাৎকারে বক্তব্যের আংশিক ভাষান্তর