সিলভার কার্প বা ব্রিকেট জাতীয় মাছ আমেরিকায় কখনো ছিল না। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে এই মাছের আমদানি ঘটে দেশটির ক্যাটফিশ চাষীদের হাতে। মাছের খামারে বা পুকুরে অত্যধিক শ্যাওলার বিস্তারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন তারা। এই জলজ উদ্ভিদের হাত থেকে বাঁচতেই এশিয়া থেকে কার্প জাতীয় মাছ নিয়ে যান তারা। বাণিজ্যিক স্বার্থে সরকারও তাদের তখন অনুমতি দিয়েছিল। কিন্তু কে জানতো সেই মাছই এক সময় বিপাকে ফেলবে আমেরিকানদের!
কার্পের বংশবৃদ্ধি ঠেকাতে এখন ক্যানটাকি, টেনেসি, ইলিনয়েস, মিসৌরী অঙ্গরাজ্যের সরকার রীতিমতো হিশশিম খাচ্ছে। এসব অঞ্চলের নদ-নদী, হ্রদ ও জলাশয়ে কার্পের সংখ্যা এতোই বেড়েছে যে অন্যান্য প্রজাতির মাছ প্রায় খাদ্য সংকটে পড়েছে। কার্পের অত্যাচারে হুমকির মুখে পড়েছে ক্যানটাকি এবং বার্কলে হ্রদের বিলিয়ন ডলারের পর্যটন শিল্প।
সত্তুরের দশকে শ্যাওলার বংশ ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে আনা কার্প মাছেরই বংশ ধ্বংস করার নানা উপায় খুঁজছে প্রশাসন। যুক্তরাষ্ট্রে এসব প্রজাতির মাছকে বলা হয় ‘এশিয়ান কার্প’। অনেকে খানিকটা তাচ্ছিল্যের স্বরেই এ নামে ডাকে। সেখানে এ মাছ কেউ পাতে তোলেন না। এর একটা বড় কারণ সূক্ষ কাঁটা (ফিশবোন)!










