ফুল পছন্দ করে না কিংবা ফুল দেখে মনে আনন্দ হয় না এমন মানুষ মেলা দুরূহ। ছেলে থেকে বুড়ো সকলেরই পছন্দ ফুল। বন্ধু, প্রিয়জনকে তাই তো বিশেষ বিশেষ দিনে ভালবাসার বহিঃপ্রকাশ করতে মানুষ ফুল উপহার দেয়।
চেরি ফুল জাপানের জাতীয় ফুল। আর এই ফুল নিয়ে প্রায় দেড় হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে জাপানিরা পালন করে আসছে উৎসব 'হানামি'।

ছবিঃ রয়টার্স
চেরি ফুল নিয়ে উদযাপিত হয় এই হানামি উৎসব। জাপানি শব্দ হানামির বাংলা ‘সবাই মিলে চেরি ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করা।‘
চেরি ফুলকে জাপানিরা ডাকে সাকুরা নামে। জাপানে এমন কোনো অঞ্চল নেই যেখানে চেরি ফুল ফোটে না।
খুব ক্ষণস্থায়ী জীবন এই চেরি ফুলের। মূলত মার্চ মাসের শেষের দিকে এবং এপ্রিলের শুরুতে জাপানে চেরি ব্লসমের দেখা মিলে। এই পুরো সময়টা জুড়েই জাপানিদের উৎসাহ ও আনন্দের বাধ ভেঙে যায়।

ছবিঃ রয়টার্স
পুরো বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকেরা ভীড় জমায় চেরি ব্লসম দেখবার জন্য। আর চেরি ফুলকে বরণ করে নিতে জাপান জুড়ে চলে নানা আয়োজন।
চেরি ফুলের পার্কগুলোতে থাকে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভীড়। চেরি ফুলের মিষ্টি গন্ধ সকলের মনে প্রশান্তি এনে দেয়। নানা রঙের প্রজাপতির দেখা মেলে চেরি ফুল গাছগুলোয়।
চেরি ফুলের গন্ধ মনমাতানো হলেও ফুলটি ক্ষণস্থায়ী যার প্রভাব লক্ষ্য করা যায় জাপানিদের জীবন দর্শনেও। চেরি ফুল মানব জীবনের জন্যেও এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে।

ছবিঃ রয়টার্স
জাপানের মতোই সারা বিশ্বজুড়ে চেরি ফুল এক উন্মাদনার নাম। জাপান ছাড়িয়ে অন্যান্য দেশেও এখন শোভা ছড়াচ্ছে এই ফুলটি। মার্চের মাঝামাঝি থেকে এপ্রিল জুড়ে জাপানে আয়োজিত 'হানামি' উৎসব যা কিনা রূপ নেয় বিশ্বের বিভিন্ন সংস্কৃতির মানুষের এক মিলনমেলা।










